আমাদের জীবনের অনিবার্য অনুষঙ্গ এখন ফেসবুক। ফেসবুক ছাড়া আমাদের জীবন অচল। হাতে গোনা অল্প কিছু মানুষ পাওয়া যাবে যারা ফেসবুক ব্যবহার করেন না। তাদের বেশির ভাগ বয়স্ক মানুষ। প্রযুক্তিবান্ধব নন। পারেন না তাই করেন না। তবে তাদেরও মনে মনে ফেসবুক ব্যবহারের ইচ্ছে রয়েছে।
বিভিন্ন বয়স শ্রেণিপশা গোত্র লিঙ্গের মানুষ ফেসবুকে যুক্ত। দেশ বিদেশের অনেক সেলিব্রেটি যেমন ফেসবুকে আছেন তেমনই আছেন অনেক সাধারণ মানুষ। তারা দিনের কিছুটা সময় ফেসবুকে লিখে বা ছবি দেখে কাটান। কেউ কেউ আত্মীয়স্বজনের সাথে মেসেঞ্জার হোয়াটসঅ্যাপ ইমোতে কথা বলেন। সময়টা বেশ কেটে যায়। কেউ ফেসবুকে পণ্য দেখে কেনাকাটা করেন। সে কেনাকাটায় মাছ থেকে শুরু করে শাড়ি গহনা সবই থাকে। বাইরে যাবার ঝক্কি নিতে হয় না। পণ্যের মান আর দাম যাই-ই হোক না কেন সময় বাঁচে, শরীরে ধকলও নিতে হয় না।
করোনাকাল থেকেই ফেসবুকসংশ্লিষ্টতা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। তখন মানুষ ঘরের বাইরে যেতে পারেনি। মানুষ ছিল ঘরবন্দী। ফেসবুক ছিল তাদের বড় একটা আশ্রয়। সেই ধারাবাহিকতা এখনো চলছে। করোনার প্রকোপ আগের মতো নেই; কিন্তু মানুষের অভ্যাস পরিবর্তন হয়নি। সেই যে ঘরে থাকা অভ্যাস হলো, অনলাইনে কেনাকাটার চল হলো সেই সুবিধাটা মানুষ আর ছাড়তে চাইছে না। অস্বাভাবিক যানজটের এই শহরে ঘেমে নেয়ে বাইরে বেরুতে কারো ইচ্ছে হয় না বাধ্য না হলে। যাদের চাকরিবাকরি, কাজকর্ম আছে তাদের কথা আলাদা।
কিন্তু ফেসবুকে নানারকম সমস্যা, বিভ্রান্তির মধ্যে আমাদের পড়তে হয় প্রতিনিয়ত। পড়তে হয় ফেসবুকের ব্যবহার না জানা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে। আমাদের জীবনযাপনের যেমন নিয়মকানুন আছে, তেমনি ফেসবুক ব্যবহারেরও নিয়মকানুন আছে। আমরা কিভাবে চলব, কিভাবে কথা বলব, কার সাথে কেমন আচরণ করব, কিভাবে খাবো, সমাজে কিভাবে আচরণ করব এমন প্রতিটি বিষয়ই যেমন নিয়মাচারে বাঁধা ফেসবুকও তাই। আমরা সেই নিয়মকানুনগুলো মানি না বলে ফেসবুক নিয়ে এত আপত্তি, এত কথা, এত অভিযোগ। দু’চারটি সাধারণ বিষয় উল্লেখ করলেই বিষয়টি বোঝা যাবে। যেমন ধরুন কারো নিকটজনের মৃত্যু, অসুস্থতা বা দুর্ঘটনা সম্বন্ধে কেউ লিখেছেন। তখন আপনার মন্তব্যটি হবে সহানুভূতিসম্পন্ন। আপনি সামাজিক মানুষ হলে যা করতেন এখানেও তাই করবেন। লিখবেন, সমবেদনা, শোক জানাই বা এ-জাতীয় কিছু। কিন্তু আপনি না পড়েই বা না বুঝেই লিখতে পারেন না ‘নাইস’, ‘সুন্দর’ বা ‘বাহ্’। অথবা ধরুন কারো বিয়েবার্ষিকী, জন্মদিন বা প্রমোশনের খবর লেখা হয়েছে। আপনি তাকে অভিনন্দন দেবেন, শুভকামনা জানাবেন। কিন্তু লিখতে পারেন না ‘সমব্যথী’ বা ‘শোকাহত’ সে পড়ে বা না পড়ে যাই হোক। তারপর ধরুন আপনি যখন তখন একজনের মেসেঞ্জারে লিখেই যাচ্ছেন, তাকে একটার পর একটা এটাচমেন্ট পাঠিয়েই যাচ্ছেন। তিনি কোনো সাড়া দিচ্ছেন না। আপনি তাকে লিখছেন ‘আপনি কথা বলেন না কেন’ ইত্যাদি। এর পরও তিনি কথা বলছেন না; তখন আপনি তাকে কল দিতে থাকলেন দিন নেই রাত নেই। এ ধরনের মানুষের যোগ্যতা নেই ফেসবুক ব্যবহারের। অথবা কেউ হয়তো আপনার সাথে ভদ্রতা করে দু’কথা বলেছে। পরদিনই আপনি তাকে প্রেম নিবেদন করলেন আর তারপর একদিন একটা নোংরা ছবি পাঠালেন। এসব হচ্ছে হরহামেশা।
ফেসবুকে খালি গায়ে, মৃতব্যক্তির পাশে দাঁড়িয়ে ছবি পোস্ট দেয়া নিয়মিত ব্যাপার। এটা যে কত অশালীন তা যারা দেয় তারা বোঝে না। খাবারের ছবি পোস্ট দিন; কিন্তু এটা যদি নিয়মিত হয়ে যায় তা মোটেও ভালো দেখায় না। যারা দরিদ্র খেতে পায় না, তাদের কাছে এই ধরনের ভূরি ভূরি খাবারের পোস্ট চপেটাঘাতের মতো। সমাজে থাকতে হলে সমাজের নিয়ম মানতে হয়। আপনি কানাকে কানা, খোঁড়াকে খোঁড়া বলতে পারেন না। অভুক্ত মানুষের সামনে অঢেল খাবারের ছবি দেয়া মানে তাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়া তুমি কত গরিব। ফেসবুকে আছে বেকার, রিকশাওয়ালা থেকে শুরু করে অনেক নিম্নবিত্ত মানুষ।
আজকাল ফেসবুকজুড়ে অদ্ভুত এক ভাষার ছড়াছড়ি। এই অদ্ভুত না সাধু না চলিত না আঞ্চলিক ভাষা অনেক আগেই আমাদের চলচ্চিত্র নাটককে গ্রাস করেছে, এখন আগ্রাসন চলছে ফেসবুকে। আমি জানি না যারা এ ভাষায় লেখেন তারা কি শুদ্ধ বাংলা জানেন না, নাকি এই ভাষায় লেখা স্মার্টনেস মনে করেন নাকি কৌতুক করে লেখেন। যদি কৌতুক হয়ে থাকে বলব, কৌতুকের মাত্রা বাড়াবাড়ি রকম হয়ে যাচ্ছে।
যেমন বিতিকিচ্ছিরি ভাষা তেমনই শব্দ। আমরা কখনোই সাধারণ্যে লিখি না বা লেখা যায় ভাবিনি এমন সব শব্দ বিভিন্ন বয়সী পুরুষ-নারী লিখে যাচ্ছেন অনায়াসে। অঙ্গপ্রত্যঙ্গের নাম, সেগুলোর ক্রিয়া-প্রক্রিয়া এই ফেসবুক নামের বিশ্বহাটে প্রতিনিয়ত লিখিত হচ্ছে।
আবার কে কতটা লিখতে পারে তাও জানেন না অনেকে। মধ্যবয়সী লোকজন এমন সাজ দিয়ে এমন সব কথা লিখছেন যা মোটেও মানানসই নয়। যিনি লিখছেন তিনি যদি নারী হন তাহলে তো কথাই নেই। সাথে সাথে ঢোলে বাড়ি দিয়ে উঠছে অসংখ্য পুরুষ। মন্তব্যের জোয়ারে ভেসে সেই নারী ভাবছেন কাজ একখানা করে ফেলেছি। তিনি জানেন না এই জাতীয় লাগামহীন নারীদেরই ওই জাতীয় পুরুষরা পছন্দ করেন।
আবার পারিবারিক কেচ্ছা ঢেলে দিচ্ছেন কেউ কেউ। স্বামী-স্ত্রীর বনিবনা হচ্ছে না, মেয়ে-জামাইয়ের, ছেলে-বউমার সাথে বনিবনা হচ্ছে না, শ্বশুর-শাশুড়ি দজ্জাল, স্বামী ঘরের কাজে সাহায্য করে না, ছেলে সংসারে টাকা দেয় না এমন সব কাহিনী ঢেলে দিচ্ছেন ফেসবুকে। যেন ফেসবুক সবকিছুর সমাধান করে দেবে। যেন ফেসবুক এক পরম ত্রাতা। মাঝখান দিয়ে যে ঘরের কথা বিশ্বসুদ্ধ মানুষ জেনে যাচ্ছে সে দিকে কারো মাথাব্যথা নেই।
শিক্ষকরা লেখার সময় ভুলে যাচ্ছেন তার ফ্রেন্ডলিস্টে ছাত্র আছে। ছাত্ররা ভুলে যাচ্ছেন তার লিস্টে আছেন শিক্ষক। রাজনীতিবিদ ভুলে যাচ্ছেন তার পোস্ট পড়ছেন ভোটাররা।
ফেসবুকে কেউ মন্তব্য করলে তার মন্তব্যের জবাব দেয়া ভদ্রতা। এই ভদ্রতা করছেন না অনেকে। হতে পারে তাদের সময় কম,পারছেন না। সে ক্ষেত্রে তিনি শুধু লাইক দিতে পারেন বা ইমোজি ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু এখানেও দেখি পক্ষপাতিত্ব। গুরুত্বপূর্ণ লোকদের মন্তব্যের জবাব দেয়া হচ্ছে আর পোস্টকারীর দৃষ্টিতে যারা ততটা গুরুত্বপূর্ণ নন তাদের মন্তব্যের জবাব দিচ্ছেন না। এটা একধরনের অপমান। জবাব দিলে সবগুলোতেই দেবেন না দিলে কোনোটাতেই না। আবার মন্তব্য করাও হয় মানুষ আর তার ভার বুঝে। ভারী লোকদের পোস্টে মন্তব্যের পাহাড় সে যে মানেরই লেখা হোক। অথচ অত্যন্ত ভালো, শিক্ষণীয় পোস্টে মন্তব্য দেখি কম। ফেসবুকে রেষারেষিও স্পষ্ট বোঝা যায়। কারো কারো পোস্টে নিয়মিত মন্তব্য হয় আবার কারো পোস্টে মন্তব্য নেই। এতে বোঝা যায় ওই ব্যক্তিকে যেকোনো কারণেই হোক মন্তব্যকারী পছন্দ করেন না ফেসবুকে প্রচুর আত্মপ্রচার হয়। আত্মপ্রচার ভীষণ লজ্জার বিষয়। আমি খুব উদ্যমী, পরিশ্রমী, আমার লেখা অমুক ভালো বলেছে, তমুক ভালো বলেছে, আমরা বনেদি, আমরা শিক্ষিত, আমার স্বামী এটা ওটা, আমার ছেলেমেয়ে এটা করেছে ওটা করেছে এই জাতীয় লেখা তাকে বড় তো করেই না বরং তার রুচি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়। সাফল্যের খবর অবশ্যই বন্ধুদের জানাবেন তবে দাম্ভিক ভাষায় নয়, বারবার নয়। ফেসবুকে অনেকে অনেক মিথ্যে কথাও বলে। বলার সময় হয়তো ভেবে বলে না। কিন্তু তারা ভুলে যায় আজকাল তথ্যপ্রবাহ অবাধ। পঞ্চাশ বছর আগের তথ্যও একটু খুঁজলে পাওয়া যায়। কাজেই মিথ্যে কথা বললে ধরা পড়ার সম্ভাবনা শতভাগ।
এ এক চরম অরাজক কাণ্ড! ফেসবুকে প্রেমপিরিতির কথা বাদই দিলাম; কিন্তু বহুবিধ কাণ্ডজ্ঞানহীন আর অপকর্মে সয়লাব ফেসবুক। যেকোনো খবর পেলেই হলো। যাচাই বাছাই করার দরকার নেই। ঢেলে দিচ্ছে ফেসবুকে। জীবিত মানুষকে মেরে ফেলছে, মরা মানুষ জীবিত হয়ে যাচ্ছে। বিবাহিতজন হয়ে যাচ্ছে অবিবাহিত, অবিবাহিতজন বিবাহিত। তালাক হবার আগেই কোনো কোনো দম্পতির ডিভোর্সের খবর ফেসবুকের কল্যাণে অনেকে জেনে যাচ্ছে। অথচ তাদের ডেভোর্সের কোনো সম্ভাবনাই নেই।
ফেসবুকে মানে ভিডিও কনফারেন্সি, চ্যাটিং, লাইভ অনুষ্ঠান, টকশো। সংখ্যায় ঠিক কতজন প্রতিদিন এই অনুষ্ঠান করছেন আমার জানা নেই। এটা সময় কাটাবার একটা ভালো মাধ্যম। কিন্তু কখনো কখনো কোনো কোনো সঞ্চালক, কোনো কোনো বক্তার কথা শুনে হোঁচট খাচ্ছি। আসলে যেকোনো কাজ করার আগেই প্রস্তুতি দরকার। বিশেষ করে সারা পৃথিবীর মানুষ যখন দেখতে পারে তখন তো প্রস্তুতি অতি আবশ্যক। শুদ্ধভাবে কথা বলতে পারে না, বিষয় সম্পর্ক বিন্দুমাত্র ধারণা নেই এমন লোক দিব্যি লাইভ শো করছেন। সারা পৃথিবীজুড়ে চলছে এই কাজ।
প্রযুক্তি আমাদের জীবন অনেক সহজ করেছে। কিন্তু সাথে সাথে অনেক মিথ্যের সাথে, কুঅভ্যাসের সাথে বসবাস করতে শিখিয়েছে আমাদের। আমরা অবলীলায় ঘরে বসে থেকে বলছি, ‘এই তো অফিসের কাছেই আছি, পৌঁছে গেছি’। এই প্রযুক্তির কল্যাণে আমরা এখন আর পারস্পরিক দেখাশোনায় বিশ্বাসী না। আমরা বিশ্বাসী ফোন কল, চ্যাটিং, ভিডিও কলে। তাই মানুষের মধ্যে সহমর্মিতা ভালোবাসা কমে যাচ্ছে। মানুষ যদি মানুষকে স্পর্শ না করে, ছুঁয়ে কথা বলতে না পারে, মুখোমুখি না হয় কী করে ভালোবাসার উত্তাপ পাবে! ইথার তরঙ্গ কখনোই সে উত্তাপ দিতে পারে না। মোবাইল ফেসবুক টুইটার আমাদের আড্ডার জীবন ছিনিয়ে নিয়েছে, বন্ধুজন আত্মীয় আর প্রতিবেশীর কাছাকাছি যাবার অভ্যাস বদলে দিয়েছে। এখন আর অকারণে কেউ কারো বাসায় বেড়াতে যায় না, কুশল জানতে চায় না। কেউ ফোন করলে অবাক হয়ে বলে, ‘কী ব্যাপার ফোন করলে যে’! যেন ব্যাপার না থাকলে ফোন করা যায় না, খোঁজ নেয়া যায় না। আগে কিছু না হোক অন্তত বিয়ে/জন্মদিনের আমন্ত্রণ জানানোর জন্য মানুষ বাড়ি বাড়ি যেত, এখন সেটিও বন্ধ। এখন কার্ড পাঠানো হয় হোয়াটসঅ্যাপে তারপর দেয়া হয় সফট রিমাইন্ডার।
শেষ কথায় আসি। আধুনিক প্রযুক্তির একটি বড় বিষয় সেলফি তোলা। দিনরাত পৃথিবীব্যাপী অসংখ্য সেলফি তোলা হচ্ছে। বেশির ভাগই একক সেলফি। কখনো সাথে দু’চারজন থাকে। অধিকাংশ সময় অনিচ্ছুক লোককে অনুরোধ করে সেলফি বা ছবি তোলা হয়। বিশেষ করে হেভিওয়েট লোকজনের পাশে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলে পোস্ট দিয়ে দেখানো হয় আমি ওনার কত কাছের, কত ঘনিষ্ঠ। অথচ ওই ব্যক্তি হয়তো যিনি ছবি তুলেছেন তাকে চেনেনও না। সেলফিতে সয়লাব ফেসবুক। সেলফি মানে নিজেকে দেখা, বারবার দেখা। আমরা গ্রিক পুরাণের নার্সিসাসের কথা জানি। নার্সিসাস শুধু নিজেকেই ভালোবাসত। নিজের রূপ সম্পর্কে সে ছিল প্রচণ্ড অহঙ্কারী। কোনো রূপসী নারী এমনকি পরীরাও তাকে ভালোবাসতে চাইলে সে ঘৃণাভরে তাদের প্রত্যাখ্যান করত। নিজেকে ভালোবাসতে বাসতে একদিন জলাশয়ের পানিতে নিজের প্রতিবিম্ব দেখে সে তার প্রেমে পড়ে যায়। বুঝতে পারে না ওটা তার নিজেরই প্রতিবিম্ব। সে ওই প্রতিবিম্বকে ভালবাসতে চায়, জড়িয়ে ধরতে চায়। পারে না। আর ওই জলাশয়ের পাড়ে বসে থাকতে থাকতে একসময় সে মৃত্যুবরণ করে।
প্রতিটি মানুষ নিজেকে ভালোবাসে। নিজেকে যে ভালোবাসে না সে অন্যকে ভালোবাসতে পারে না। কিন্তু উৎকট আত্মপ্রেম কাম্য নয়। ফেসবুকে আমরা উৎকট আত্মপ্রেমের প্রকাশ দেখি। নিজেকে কতরকম কতভাবে প্রকাশ করা যায় সেই চেষ্টা দেখি। এই চেষ্টায় অনেক ক্ষেত্রে বয়স-আত্মমর্যাদা ভুলে যাই আমরা।
ফেসবুক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। এই মাধ্যমে মানুষে মানুষে যোগাযোগ বাড়ে। একজন থেকে হাজারজনের সাথে পরিচয় হয়। নিয়ম মেনে ফেসবুক ব্যবহারের মাধ্যমে সে পরিচয় শুভ, সৃজনশীল কাজে লাগুক এটাই চাওয়ার।
