(গত দিনের পর)
খানাপিনা শেষ করে আমরা ওই ইমারতের দিকে এগিয়ে গেলাম। বেশ উঁচু ইমারতটি। প্রস্থে দৈর্ঘ্যে সমান সমান। চতুষ্কোণাকৃতি সুবিশাল এক প্রাসাদ। চারদিক পাথরের প্রাচীরে ঘেরা। দুই দুটি সিংহ দরজা পেরিয়ে তবেই প্রাসাদ চত্বরে প্রবেশ করা যায়।
একটি সিংহদ্বার হাট হয়ে খুলে আছে। কিন্তু সিংহসদৃশ প্রহরী কেউ নেই সেখানে। কাপ্তানসহ আমরা ভেতরে ঢুকে পড়ি। বিরাট প্রশস্ত প্রাঙ্গণসদৃশ এক একটি কক্ষ। সারা ঘরময় থরে থরে সাজানো রান্না-বান্নার সাজ-সরঞ্জাম। বড় বড় কড়াই ডেকচি হাতা বেড়ি ঘরের মেঝে পড়ে আছে। একটি কক্ষের এক কোণে স্তূপীকৃত অনেক হাড়গোড়। কতকগুলো একেবারে শুকনো সাদা। আবার কতকগুলোতে এখনো মাংসের টুকরা লেগে আছে। একটা পচা দুর্গন্ধ নাকে এলো আমাদের। সঙ্গে সঙ্গে মাথা ঝিম ধরে গেল আমার। পলকের মধ্যেই দেখি সংজ্ঞা হারিয়ে মেঝেতে লুটিয়ে পড়ল কেউ কেউ। (চলবে)
(গত দিনের পর)খানাপিনা শেষ করে আমরা ওই ইমারতের দিকে এগিয়ে গেলাম। বেশ উঁচু ইমারতটি। প্রস্থে দৈর্ঘ্যে সমান সমান। চতুষ্কোণাকৃতি সুবিশাল এক প্রাসাদ। চারদিক পাথরের প্রাচীরে...
