চব্বিশ.
উপরের দুটি বোতাম খোলা। মুখে কাঁচা-পাকা খেঁাচা খেঁাচা দাড়ি। গায়ে মাটির গন্ধ। হাতে একটা স্মার্ট মোবাইল ফোন। পুলিশের সাথে কথা বলতে ভয় পাচ্ছেন।
মাঝে মাঝে তাদের দিকে তাকাচ্ছেন।এক জন পুলিশ এগিয়ে এসে জিজ্ঞেস করলেন, কিছু বলবেন? তিনি হাতের মোবাইল ফোনটা দেখিয়ে বললেন,‘ইড্যা,পইর্যা পাইছি। আপনাদের কাছে জমা দিতে চাই।’ পুলিশ তার হাত থেকে মোবাইল ফোনটা নিলেন। জমা রাখলেন। ভাবলেন, সৎ হওয়ার জন্য ধন নয়,মনের ঐশ^র্য প্রয়োজন। মোবাইলটা লক করা নয়। পর্দায় এক তরুণীর ছবি।
পুলিশ কনস্টেবল আরমান মোবাইল ফোনটা নিয়ে তার বস সাবইন্সপেক্টর নাদিমকে দেখালেন। পর্দার ছবিটা দেখে তিনি চমকে উঠলেন। চেনা চেনা লাগছে। মোবাইলের ফটো গ্যালারিতে ঢুকলেন। সব ছবি দেখলেন। একটা ছবির ক্যাপশনে লেখা- জোবায়দা ।
ছবিটা নাদিম সাহেবকে ভাবায়। একটা রহস্যের জট আস্তে আস্তে খুলতে থাকে। পলিশ জোবায়দাকে আটক করে। বের হয়ে আসে সায়লার স্বামী সাইদুলের হত্যার রহস্য। এদিকে আব্দুস শাকুর সাহেবর নিখেঁাজ রহস্য এখনো অজানা।
চারদিক পাহাড় ঘেরা। মাঝে সমতল ভূমি। এখানে চাকমা আর তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায়ের বাস। এটা আলাদা একটা দুনিয়া।
(চলবে)
চব্বিশ.উপরের দুটি বোতাম খোলা। মুখে কাঁচা-পাকা খেঁাচা খেঁাচা দাড়ি। গায়ে মাটির গন্ধ। হাতে একটা স্মার্ট মোবাইল ফোন। পুলিশের সাথে কথা বলতে ভয় পাচ্ছেন।মাঝে মাঝে তাদের...
