চৌদ্দ.
ডাক্তার, উকিল আর গোয়েন্দাদের কাছে কিছু লুকাতে নেই। তাতে আমাদের কাজের অসুবিধে হয়। এখন ব্যাপার কি বলুন?’
ভদ্রলোক গলা আরো নিচু করে ফেললেন, যেন উচু স্বরে কথা বললে আশপাশের কেউ শুনে ফেলবে। নিচু গলা শুনতে নাভিদের কোনো অসুবিধে হলো না, চোখের মতো গোয়েন্দাদের কানও শার্প হতে হয়।
‘আমার নাম শামসুদ্দিন ভুইয়া। রিয়া কম্পিউটার অ্যান্ড টেকনোলজির প্রপাইটার। ইদানীং ল্যাপটপের ব্যবসায় ধরেছি। এলিফ্যান্ট রোডে আমার শোরুম ছাড়াও ধানমন্ডিতে দোকান আছে। এসব দোকান থেকে রেখে ঢেকে আমার আয় ইনকাম মাসে আড়াই তিন লাখ...’ আবজানো দরজা ঠেলে চায়ের ফ্লাক্স হাতে জুয়েল ভেতরে ঢুকল। সাথে সাথে ইলেকট্রিসিটি চলে যাওয়ার মতো কথা থামিয়ে দিলেন শামসুদ্দিন সাহেব।
শামসুদ্দিন সাহেবের দিকে তাকিয়ে নাভিদ শান্ত স্বরে বলল, ‘অসুবিধে নেই। আপনি কথা চালিয়ে যান। ও আমার অ্যাসিসট্যান্ট। আমার গোয়েন্দা কাজে সাহায্য করে। যেকোন তদন্তে ওরও সব কথাই জানতে হয়।’
শামসুদ্দিন সাহেব তাও ইতস্তত করছেন দেখে নাভিদ জুয়েলের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘আমাদের দুজনকে চা দিয়ে তুই বাড়ির চারপাশটা কয়েকবার টহল দে। সন্দেহজনক কাউকে দেখলে আমাকে জানাস।’
জুয়েল চা দিয়ে চলে না যাওয়া পর্যন্ত শামসুদ্দিন সাহেব মুখ খুললেন না। ‘দুই ছেলেমেয়ে, স্ত্রী নিয়ে আমার মোটামুটি ছোট্ট সুখের সংসার।
(চলবে)
