পঁয়তাল্লিশ.
এখন আমরা জেগে আছি জানতে পারলে আমাদের খুন করে ফেলবে।’
নশু তবুও চুপ করে থাকল না। খালার মোবাইল নাম্বারটা নিয়ে টিপুর দেয়া নাম্বারে ডায়াল করল।
এরকম মাঝ রাত্তিরে কল আসায় টিপুর বাবা আহসান মালেক খুবই বিরক্ত। তবুও নশুর মুখে খুব বিপদের কথা শুনে মোবাইল হাতে টিপুর রুমের দিকে এগিয়ে গেল।
উত্তেজনায় টিপু বিছানায় শুয়ে পড়লেও ঘুমাতে পারেনি। রনি আর মিঠু কি বেরুতে পেরেছে? আল্লাহই জানে! ও এখনই বেরুতে পারবে না। তবে খুব সকালে যেতে পারবে। অ্যালার্ম ঘড়িতে ভোর ৪টায় অ্যালার্ম দিয়ে রাখল টিপু। ফজরের নামাজের জন্য বাবা তার পরপরই ওঠেন। কাজেই ভয়ের তেমন কিছু থাকবে না। অন্ধকার থাকলেও সকালের আভায় আকাশ পরিষ্কার হতে থাকবে। আর তার নিজের তো একটা পেনসিল ব্যাটারির টর্চ আছেই। ক্রিকেটের একটা স্ট্যাম্পও হাতে রাখবে সে। মিঠু আর রনিকে টিকিট প্রতিযোগিতায় হারাতেই হবে। ১০ টাকার লটারির টিকিট বড় কথা নয়। ওদের টেক্কা দিয়ে নিজেকে নির্ভয় প্রমাণ করাটাই বড় কথা। ভাগ্যে থাকলে তো ওটা ৩০ লাখ হয়ে যেতে পারে।
বাবার ডাকে টিপুর চিন্তার জাল ছিন্ন হলো। ‘এই টিপু তোর ফোন। নশু বলে একটা ছেলে। জরুরি ফোন।’
নশুর কথা মনে পড়তেই টিপু লাফিলে বিছানা থেকে নামল। এত রাতে জরুরি কী ফোন হতে পারে?
বাবা মোবাইল বাড়িয়ে দিয়ে দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে রইলেন। (চলবে)
পঁয়তাল্লিশ.এখন আমরা জেগে আছি জানতে পারলে আমাদের খুন করে ফেলবে।’নশু তবুও চুপ করে থাকল না। খালার মোবাইল নাম্বারটা নিয়ে টিপুর দেয়া নাম্বারে ডায়াল করল।এরকম মাঝ...
