আটচল্লিশ.

বাবা প্রতিবন্ধী স্কুলের হেডস্যারকে ফোন দিলেন। ছেলের কথার সুত্র ধরে জানালেন, ‘প্রতিবন্ধী স্কুলের উন্নয়নের জন্য যদি টাকার দরকার থাকে তো এখুনি থানায় গিয়ে পুলিশ নিয়ে পোড়োবাড়িতে চলে এসো।
বাবার সাথে বেরিয়ে পথে এসে রনি আর মিঠুর সাথে দেখা হলো। ওরা দুজনে একসাথে তিন ব্যাটারির টর্চ জ্বেলে বেরিয়েছে। সাথে রনিদের বাড়ির কাজের ছেলে মজনুও রয়েছে।
রনি টিপুকে দেখে বলল, ‘তুই শিওর তো, ব্যাটারা পোড়োবাড়িতে যাবে?’
‘যাবে মানে আমার তো মনে হয় এতক্ষণে ওরা ওখানে পৌছে গেছে।’
বাবা বললেন, ‘হেডস্যার থানার সাথে যোগাযোগ করেছে। থানা থেকে পোড়োবাড়ির উদ্দেশে ফোর্স পাঠাচ্ছে।’
‘কিন্তু বাবা, ততক্ষণে যদি ওরা টাকা ভাগাভাগি করে সটকে পড়ে? ওর চেয়ে আমরা এই ক’জনে যেয়ে পোড়োবাড়ির বাইরে থেকেই পাহারা দেই না কেন?’
‘কিন্তু ওদের হাতে যদি ভয়ানক অস্ত্রপাতি থাকে?’ বাবা চিন্তিত।
মিঠু কেবল বলতে যাচ্ছিল, ‘পিস্তল..’
টিপু মিঠুর পায়ে লাথি দিয়ে বলল, ‘পিস্তল টিস্তল কি আর সবার কাছে থাকে? আর রাতে তো দেখতে পাবে না।’
বাবা কি যেন চিন্তা করলেন। তারপর বললেন, ‘চল, পোড়োবাড়ির দিকে এগুই। তারপর কি করা যায় দেখা যাবে।’
ওরা পোড়োবাড়ির কাছে এলো। ঘোর অন্ধকারে পোড়োবাড়িটা ভূতের বাড়ির মতো দেখাচ্ছে। (চলবে)