গত দিনের পর
তারা দৌড়ে কাছে গিয়ে দেখেন, তাদের আদরের বিড়ালটির ডান পাখানি ভেঙে গেছে। প্রচণ্ড জখমও হয়েছে পায়ে।
হায় হায় করে উঠল সবাই। ভেঙে যাওয়া ডান পাখানির যত্ব নেয়ার দায়িত্বে ছিলেন মোহন নামের সওদাগর। তার ওপর তখন অতিরিক্ত দায়িত্ব এসে পড়ে। সবাই বলে, দেখো দেখো, মোহন। পায়ের যত্নের যেন কমতি না হয়। আহারে, সাধের বিড়াল আমাদের। মোহন সওদাগর অতি যত্নে বিড়ালের পাখানির সেবা শুশ্রুষা করতে লাগলেন। তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া হলো। দামি মলম ও ওষুধ কিনে আনা হলো। এবার তিনি বিড়ালের ক্ষত পায়ে মলম লাগিয়ে দিলেন। তারপর পরিষ্কার একটি ন্যাকড়া দিয়ে বিড়ালের পাখানি বেঁধে দিলেন তিনি। বিড়ালকে আদর করতে করতে আদর করতে করতে তিনি বললেন, ভেবো না, ভেবো না। খুব শিগগিরই তুমি সুস্থ হয়ে উঠবে। আবার ইঁদুর ধরতে পারবে তুমি। (চলবে)