(গত দিনের পর)
অনুচ্চ অট্টালিকার ভিতরে প্রবেশ করে হাসিবু অবাক হয়। এত চাকচিক্য, এত জৌলুস! পৃথিবীর কোনো প্রাসাদ এত সুন্দর হতে পারে, এমন ধারণা সে কল্পনাও করতে পারেনি। প্রতিটি দরজা, জানালা স্বর্ণের তৈরি। আসবাবপত্রগুলো রুপোর কিংবা কোনো কোনোটি নকশা করা চীনে মাটির। অসম্ভব রকমের কারুকাজে সাজানো প্রাসাদের প্রতিটি দেয়াল ও মেঝে। হাসিবু দেখে, অদূরে একটি চৌপায়ার ওপর একটি স্বর্ণের কৌটা হীরকের মতো জ্বলজ্বল করছে। কৌটার উপরে খোদাই করা কারুকাজের পাত্র। পাত্রটির ভিতরে রাখা এক ছড়া চাবি। একটি হীরার হারের সাথে গোছা করে রাখা আছে চাবিগুলো।
হাসিবু আরো সামনে এগিয়ে যায়। দেখে আরো সুন্দর একটি সাজানো গোছানো ঘর। সেখানে দামি কম্বলে মোড়ানো একটি সোফা দেখতে পায় সে। বড্ড ক্লান্ত হাসিবু সোফায় গিয়ে বসে পড়ে। পিঠে বিচ্ছুর কামড়ের ব্যথায় একসময় সে অচেতন হয়ে ঘুমের ঘোরে তলিয়ে যায়। (চলবে)
