চব্বিশ.
‘উহু। আমরা আগুনের শিখা বা আগুন দিয়ে তৈরি তো, এজন্য আমরা আগুন বা আগুনের তৈরি জিনিস খাই। বিভিন্ন রকমের আগুন এবং আলো খাই আমরা। যেমন তোমরা মাটি দিয়ে তৈরি বলে মাটিতে জন্মানো জিনিস খাও। আমার কথা বুঝতে পারছ?’
সে তেমন কিছু একটা বোঝেনি। আগুন খায় এটা বুঝতে পেরেছে। এজন্য তার ভয় ভয় করতে থাকে।
সে দু’পাশে মাথা নাড়ে।
তারপর কৌতূহলবশত জিজ্ঞেস করে ‘তোমাদের নাম আছে? তোমার নাম কী?’
‘নাম থাকবে না কেন? অবশ্যই আছে। আমার নাম তিতলী, তিতলী পরী। তোমার সাথে বকবক করার ফাঁকে আমার কাকা বোধ হয় দূর থেকে আরো দূরে চলে গেছে। তুমি এখানে দাঁড়িয়ে থাকো। আমি কাকাকে খুঁজে এসেই তোমাকে নিয়ে যাবো আমাদের দেশে। সেখানে গিয়ে আমি সবকিছুই তোমাকে বলব। তুমি এখান থেকে যেও না কিন্তু। এখানেই দাঁড়িয়ে থাকবে। বুঝেছ’Ñ বলে তিতলী পরী তার দিকে তাকিয়ে আবার মিষ্টি করে হাসে। প্রতিউত্তরে সেও মিষ্টি একটা হাসি দেয়। এবার হাসিটা যে সত্যিকারের মিষ্টি হাসি হয়েছে তা সে বুঝতে পারে।
রিয়াজ তিতলী পরীর দিকে তাকিয়ে ছিল। হঠাৎ তার মনে হলো আলো কমে আসছে। কমে আসা আলোয় গাছপালার ওপর দিকে পাক খেতে খেতে কুয়াশার মতো হয়ে মিলিয়ে যাচ্ছে তিতলী পরী।
আবছা অন্ধকারে সে একাকী দাঁড়িয়ে থাকে। এতক্ষণে সে বুঝতে পারে তার চারদিকে আলোর উৎস কী। আলোটা আসছিল তিতলী পরীর পরম সুন্দর গোলাপি শরীর থেকে। (চলবে)
