ছত্রিশ.
রিয়াজের বেশ লাগে। সে দাঁড়িয়ে কী ঘটে দেখার জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। সোনালী তিতলী পরী তো তাকে বেশ একটা জায়গায় এনে ফেলে রেখে গেছে। এই জায়গাটা মনে হচ্ছে শরীরী অশরীরী বিচিত্র সব প্রজাতির যাতায়াতের ট্রাফিক পয়েন্ট। এক রাজ্য থেকে আরেক রাজ্যে যেতে গেলে বোধ হয় এদিক দিয়েই যেতে হয়। তা সে উড়েই যাক আর শরীর ছাড়াই যাক। আর সে যেন আছে ট্রাফিকের ভূমিকায়। তার সাথে দেখা না করে এই ট্রাফিক পয়েন্ট থেকে কেউ এগোচ্ছে না।
যাহোক শেষ পর্যন্ত ছায়াদের মধ্য থেকে বোধ হয় কোনো একটা সিদ্ধান্ত হয়।
এবার পাশাপাশি হাত ধরাধরি করে দুটো ছায়া এগোতে থাকে। সেই কম বয়সী ছায়ার ফ্রক পরা কিশোরী ছায়াটা আরেকটা ছায়ার হাত ধরে তার দিকে এগোতে থাকে। মনে হয় কিশোরী ছায়াটার মা হবে। এই ছায়াটার শরীরে ছায়ার শাড়ি পরা।
রিয়াজ একটুও ভয় টয় না পেয়ে ছায়াদের মুখোমুখি হয়। তার পড়াশোনা বেশি দূর না হওয়ায় সে শরীরহীন মানুষবিহীন ছায়ার ভয়ের দিকটা ধরতে পারে না। সে যদি পদার্থের ব্যাপারটা জানতো তাহলে জানতে পারতো যেসব জিনিসের তিনটি মাত্রা আছেÑ দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, উচ্চতা। পৃথিবীর সবকিছুই ত্রিমাত্রিক অর্থাৎ থ্রি ডাইমেনশনাল। কিন্তু তার সামনে যে ছায়ারা উপস্থিত হয়েছে এদের দৈর্ঘ্য প্রস্থ থাকলেও উচ্চতা নেই। এরা সব টু ডাইমেনশনাল। যেটা বাস্তব পৃথিবীতে কখনই হওয়া কখনই সম্ভব নয়। তবে এটা বাস্তব পৃথিবী না। আর রিয়াজ টু বা থ্রি ডাইমেনশনের ব্যাপারে কিছুই জানে না। এ জন্য তার একটুও ভয় করছে না। না জানারও অনেক উপকারিতা আছে। না জানলে সে জিনিসের বিষয়ে কোনো ভয় থাকে না। (চলবে)
ছত্রিশ.রিয়াজের বেশ লাগে। সে দাঁড়িয়ে কী ঘটে দেখার জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। সোনালী তিতলী পরী তো তাকে বেশ একটা জায়গায় এনে ফেলে রেখে গেছে। এই...
