ঊনপঞ্চাশ.
‘কি জানি! তবে আমার মনে হয় মাটিই বেশি উপকারী।’
‘দুটোই উপকারী। তুমি কি হাঁটতে পারবে? নাকি আমার পিঠে চড়িয়ে তোমাকে উড়িয়ে নিয়ে যাবো।’
রিয়াজ লজ্জায় গলদা চিংড়ির মতো লাল হয়ে জোরে জোরে মাথা দুদিক নেড়ে বলল, ‘হাঁটতে পারব। ভালোভাবেই হাঁটতে পারব। পানিটানি খেয়ে একটু জিরিয়ে বেশ শক্তি পাচ্ছি।’
‘তাহলে হাঁটা শুরু করো। আমি একা হলে এতক্ষণে কখন পৌঁছে যেতাম।
হাঁটতে হাঁটতে উঁচু নিচু ছোট ছোট টিলা পাহাড় পেরিয়ে ওরা কয়েক মানুষ উঁচু বিশাল একটা পাহাড়ের সামনে এসে দাঁড়ায়। পাহাড় এত বেশি বড় যে একদিকের পুরো এলাকাজুড়ে আছে যার কারণে সামনের দিকে পাহাড় ছাড়া আর কিছু দেখা যাচ্ছে না। পাশাপাশি কয়েকটা একই সাইজের পাহাড় দাঁড়িয়ে আছে বলে রিয়াজের মনে হলো।
রিয়াজ তিতলী পরীর দিকে তাকায়। পরী বলল, ‘এবার তোমাকে আমার পিঠে উঠতে হবে। না হলে হেঁটে পাহাড় পেরনো কোনো রক্ত মাংসের মানুষের কম্মো নয়।’
রিয়াজ আর কি করে! এবার তো উঠতেই হবে। তাছাড়া হাঁটতে হাঁটতে তার পায়ে ব্যথা ধরে গেছে। এখন একটু উড়াল দিতে পারলে ভালো লাগবে তার।
তিতলী পরী তাকে পিঠে নেয়ার জন্য নিচু হয়ে বসেছে। তিতলী পরী বেশ লম্বা। একজন বড় মানুষের মতোই। শুধু তার মুখে অল্প বয়সী ছাপটা বেশ ভালো ভাবেই আছে। তাকে দেখলে মনে হবে কোনো অল্প বয়স্ক বাচ্চা মেয়ে লম্বায় অনেকখানি বড় হয়ে গেছে হঠাৎ।
রিয়াজ তিতলী পরীর দু’ডানা আঁকড়ে বেশ ভালোভাবেই ধরে বসে। এখন তার সাহস বেড়ে গেছে বলে সে আর ভয়ে চোখ বন্ধ করে না। (চলবে)
ঊনপঞ্চাশ.‘কি জানি! তবে আমার মনে হয় মাটিই বেশি উপকারী।’ ‘দুটোই উপকারী। তুমি কি হাঁটতে পারবে? নাকি আমার পিঠে চড়িয়ে তোমাকে উড়িয়ে নিয়ে যাবো।’রিয়াজ লজ্জায় গলদা...
