(গত দিনের পর)
অবশেষে বিছানা ছেড়ে বাইরে এলেন কোকোর বাবা। বারান্দায় দাঁড়িয়ে পায়চারী করতে লাগলেন। পায়চারী করছেন আর মাঝে মাঝে গভীর অন্ধকার আকাশের দিকে তাকাচ্ছেন। তারা খচিত আকাশ। ছোট বড় অসংখ্য তারা আকাশে। হঠাৎ তার চোখে পড়ে একটি তারা যেন ছিটকে পড়ে গেল আকাশ থেকে।
কোকোর বাবা জানেন, এদেরকে ‘রানিং স্টার’ বলে। তিনি ভাবছেন, ওই খসে পড়া তারারা আসলে তারা নয়। ওরা হলো দেবদূত, ওরা পরী। আকাশ থেকে খসে নিচে এই পৃথিবীতে এসে পড়ে। পৃথিবীতে মানুষের মনের নানা দুঃখ, নানা বাসনা, নানা ইচ্ছার কথা শুনে। কারো কারো মনের বাসনা তারা পূরণ করে দিয়ে আবার আকাশে চলে যায়।
কোকোর বাবা খসে পড়া একটি তারা দেখে চোখ বুজলেন। তিনি হাত দুটো উপরে তুলে মনে মনে বলছেন, ওগো রানিং স্টার। আমার পুত্রকে বুঝার শক্তি দাও। তাকে এই জ্ঞানটুকু দাও যাতে সে বুঝতে পারে, ‘ছলচাতুরীতে ব্যবসা হয় না।’ ব্যবসা করতে হয় সততার সাথে, ভবিষ্যতের কথা ভেবে। শুধু লাভ নয়, উভয়পক্ষের কল্যাণ সাধনই ব্যবসার মূল উদ্দেশ্য। এই বুঝটুকু তাকে দাও, হে রানিং স্টার। (চলবে)
(গত দিনের পর)অবশেষে বিছানা ছেড়ে বাইরে এলেন কোকোর বাবা। বারান্দায় দাঁড়িয়ে পায়চারী করতে লাগলেন। পায়চারী করছেন আর মাঝে মাঝে গভীর অন্ধকার আকাশের দিকে তাকাচ্ছেন। তারা...
