একাত্তর.
পৃথিবীর সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে এক রাতে তা যে কত পরিবর্তন হয় আর একেকটা শহর যে পৃথিবী কত রঙে সাজে। বোধ হয় কোনো উৎসব হচ্ছে। সমস্ত শহর আলোয় সেজেছে। সুন্দর একটা গরিব ছেলেকে দেখে তার কেমন ভালো লেগে গিয়েছিল সে কথা বলতে থাকে।
গরিব ছেলের কথা বলতেই রিয়াজের সেই জরুরি কথাটা মনে পড়ে যায়। স্কুলের আনন্দে সে এত মশগুল ছিল যে আসল কথাটাই তার মনে ছিল না।
রিয়াজ তিতলীর মুখের দিকে তাকিয়ে বলে, আচ্ছা তিতলী আপা, পৃথিবী থেকে আমার মতো করে কি আর কাউকে তুলে আনা যায়? মানে এখানে আনার নিয়ম আছে কিনা?
তিতলী পরী বলে, নিয়ম তো নেই। তবে ভুলিয়ে ভালিয়ে আনা যায় আর কি! কেন কাকে আবার নিয়ে আসতে চাও। একা একা এই পরীরাজ্যে মন বসছে না তোমার? আমাদের সাথে থাকতে ভালো লাগছে না?
রিয়াজ কাচুমাচু হয়ে বলল, না না ঠিক তা নয়। মানে তোমাদের সাথে থাকতে আমার কোনো কষ্ট হচ্ছে না। ভালোই আছি আমি। খুব ভালো। আসলে আমি অন্য একরকম ভেবে তোমাকে বলেছিলাম।
তিতলী বলে, সেই অন্যরকমটা কী? আমাকে খুলে বলো তো। দরকারে মাকে জানাতে হবে। যদিও আমার কাজ কারবারে মাকে জবাবদিহি করতে হয় না। স্কুলে গিয়েই হয়তো দেখে এসেছ যে সবাই যে রকম সব কাজ করে তেমনি নিজের ব্যাপারও সবাই নিজেই দেখে। যদিও আমার এখনো সে বয়স হয়নি। তবুও আমিই যা করার করব। তোমাকে এনেছি না আমি? (চলবে)
একাত্তর.পৃথিবীর সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে এক রাতে তা যে কত পরিবর্তন হয় আর একেকটা শহর যে পৃথিবী কত রঙে সাজে। বোধ হয় কোনো উৎসব হচ্ছে।...
