একশ’ নয়

ঠিক আছে। আমি আমাদের পরীরাজ্যে খবর পাঠাচ্ছি। ওখানের কোনো ভলান্টিয়ার ওদের দুজনকে দেখে রাখবে। তারপর আবার পৃথিবীতে ফেরত দিয়ে আসবে।
আপনার অশেষ মেহেরবাণী।
রিয়াজ কাকার পিঠে চড়ে বসল। তিতলী পরীর পিঠে চড়তে চড়তে রিয়াজ এতটাই অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে যেন ঘোড়ার পিঠে চড়ার মতোই উঠে বসে দু’হাতে পাখা চেপে ধরল। কাকার পিঠে চড়ে বুঝতে পারল কাকার পাখা অনেক বেশি মজবুত আর শক্তিশালী। সে বেশ নির্ভর হয়ে কাকা পরীর পিঠে চড়ে রইল।
কাকা পেছন দিকে না তাকিয়ে বলল, তোমার মাকে খুঁজতে আগে কোন দিকে যাওয়া যায় বলো তো?
রিয়াজ একটু ভাবল। কাকা, আমার মনে হয় আগে আমাদের বাড়িতে গেলেই ভালো হয়। তাহলে মায়ের ব্যাপারে তুমি জানতে পারবে।
বেশ বলেছ। তোমাদের বাড়িতেই যাওয়া যাক। আমাদের একটা অন্যরকম ক্ষমতা আছে। তীব্র ঘ্রাণ শক্তির ক্ষমতা। অনেকটা কুকুরের মতোই। তোমার মায়ের ব্যবহৃত কোনো জিনিস পেলে তা আমরা শুঁকে শুঁকে খোঁজ নিতে পারি।’
তাহলে খুব ভালো হয়। বাড়িতে মায়ের জিনিসপত্র আছে। আমি জানি। মা আমাকে ছোট্টবেলায় মায়ের একটা রুমাল দিয়েছিল। সেটা আমি বাড়িতে রেখে এসেছিলাম।
তাহলে কথা না বাড়িয়ে চলো তোমার বাড়িতেই যাই।
কাকার আগেই পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গা সম্বন্ধে ধারণা ছিল। রিয়াজের কথামতো নদীমাতৃক অঞ্চলে রিয়াজের বাড়ির এলাকায় চলে এলো। বাড়ির দিকে যখন এলো তখন সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত নেমে গেছে।
(চলবে)