পায়ে পায়ে এগিয়ে যান তিনি পাখিটির কাছে। পাখিটি উড়ে যায় না। একেবারে কাছে চলে আসে নোবলম্যান। একসময় হাত বাড়িয়ে খপ্ করে ধরে ফেলেন তিনি পাখিটিকে। আনন্দে আত্মহারা হন। এমন সুন্দর একটি গানের পাখি ধরতে পেরে আনন্দের যেন সীমা নেই তার। মনে মনে তিনি স্থির করলেন, পাখিকে পুষবেন। তাই, আর সামনে এগুলেন না। বাড়ির দিকে পা বাড়ালেন। হাতের মুঠোয় তার পাখিটিকে ধরা।
এমন সময় পাখির মুখের জবান খুলে যায়। পাখিটি বলে, আমাকে ছেড়ে দাও, আমাকে ছেড়ে দাও, ছেড়ে দাও আমাকে। এতক্ষণ পাখির ঠোঁটে ছিল গানের সুর। এখন মানুষের মতো কথা! পাখির কথা শুনে অবাক হন নোবলম্যান। তিনি বলেন, তুমি কথাও বলতে পারো?
পাখিটি বলে, হ্যাঁ, আমি তো সাধারণ কোন পাখি নই। আমি হলাম দৈব-পাখি। আমাকে ছেড়ে দিলে তোমাকে আমি দু’টি উপদেশ দিয়ে যাবো। উপদেশ দুটো মেনে চললে সারাজীবন তোমার কাজে লাগবে। বুদ্ধির কমতি রবে না তোমার। তুমি না দেশের নীতি নির্ধারক?
একদিকে পাখির আকুতি-মিনতি, অন্যদিকে দু’টি উপদেশ শোনার ইচ্ছা। তাই, নোবলম্যান বললেন, আচ্ছা, কী সেই উপদেশ? বলো, ছেড়ে দেবো তোমায়। (চলবে)