পাখি : আমার প্রথম উপদেশটি হলো, ‘যে জিনিস একবার হাতছাড়া হয়ে যায়, সে জিনিস নিয়ে হায়-আফসোস করো না।’ আর আমার দ্বিতীয় উপদেশটি হলো, ‘কারো অসাড় কথাবার্তায় কান দিও না।’
নোবলম্যান : হু, ভালো দুটো কথাই বললে তুমি।
পাখি : তা হলে এবার ছেড়ে দাও আমাকে, হে নোবলম্যান।
তিনি ছেড়ে দিলেন পাখিটিকে। ছাড়া পেয়ে পাখিটি উড়ে গিয়ে বসে নিকটেই গাছের একটি ডালে। তারপর বলে, ওহে নোবলম্যান, আমাকে ছেড়ে দিয়ে কী ভুলটাই না করলে তুমি। হায় কপাল তোমার! তুমি জানলে না যে, দুই-দু’টি অমূল্য রতœ লুকিয়ে আছে আমার ডানার ভিতরে। তুমি যদি ডানার ভিতরটা একটু খুঁজে দেখতে। তা হলে পেয়ে যেতে রতœ দু’টি। কত সহজেই না অমূল্য রতেœর মালিক হয়ে যেতে তুমি। তারপর না হয় ছেড়ে দিতে আমাকে।
পাখির এমন কথায় আরো অবাক হন নোবলম্যান। তিনি হতাশ হয়ে পড়েন। মনে মনে আফসোস করতে থাকেন। দুঃখে নিজের মাথার চুল ছিঁড়তে ইচ্ছে করছে এখন তার। তিনি হায়-আফসোস করতে লাগলেন, ওহ্, কেন যে ছেড়ে দিলাম পাখিটি। কেন যে ছেড়ে দিলাম।
(চলবে)