একশ’ তেরো
কেন? যেভাবে আমাকে নিয়ে চলছ। তোমার পিঠে করে?
সেটা হয়তো সম্ভব। কিন্তু তোমার মা যেখানে আছে সেখান থেকে বের করে আনব কিভাবে সেটাই বুঝতে পারছি না। আচ্ছা, অত ভেবে লাভ নেই। আগে যাই চলো, দেখি কোথায় খুঁজে পাওয়া যায়। মনে হয় আমরা কাছাকাছি চলে এসেছি। এই শহরেই নামতে হবে। কাকা নিচের দিকে নামতে শুরু করল।
ঘুমন্ত শহরের উপরে নেমে এলো তারা।
মনে হচ্ছে এই শহরের মধ্যে বড় কোনো একটা বিল্ডিং আছে। সেই বিল্ডিংয়ের মধ্যে অনেক মানুষ থাকে। তার মধ্যে তোমার মা আছে। চলো আগে সেই বিল্ডিংয়ের ওখানে যাই।
ওরা উড়তে উড়তে একটা মানসিক কেন্দ্রের সামনে এলো। এখানে মানসিক বিকারগ্রস্ত ভবঘুরেদের সংশোধন কেন্দ্র। কেন্দ্রের গেটে বিশাল তালা এবং দারোয়ান থাকলেও কাকা পরীর পিঠে চড়ে ওরা ভবনের ছাদে অবতরণ করল।
কাকা বলল, তুমি এখানে ছাদে বসে অপেক্ষা করো। আমি ভেতরে গিয়ে অবস্থাটা দেখে আসি। তারপর তুমি যেয়ো।
মাকে দেখার জন্য রিয়াজের আর তর সইছিল না। তার পরেও সে অপেক্ষা করতে রাজি হলো। কারণ সে জানে, পরীরা অদৃশ্য হয়ে যেরকম সব জায়গায় যেতে পারে মানুষ তা পারে না।
অপেক্ষার সময় আর শেষ হয় না রিয়াজের। অধৈর্য হতে হতে যখন মনে হয় কাকা পরী হয়তো তাকে এখানে বসিয়ে রেখে পরীরাজ্যে ফিরে গেছে, আর ফিরে আসবে না, তখনই ছাদের উপর কাকা নেমে এলো। রিয়াজ তাড়াতাড়ি কাকার সামনে দাঁড়িয়ে উৎসুক স্বরে বলল, মা কই? (চলবে)
একশ’ তেরোকেন? যেভাবে আমাকে নিয়ে চলছ। তোমার পিঠে করে?সেটা হয়তো সম্ভব। কিন্তু তোমার মা যেখানে আছে সেখান থেকে বের করে আনব কিভাবে সেটাই বুঝতে পারছি...
