একশ’ পনের
তিতলীকে আমার কথা বলো। আর ওকে আবার আসতে বলো।
কাকা রিয়াজকে জড়িয়ে ধরে আদর করে দিলো। তারপর বলল, মায়ের দিকে খেয়াল রেখো। মাকে ভালোবেসো। ভালোবাসলেই তোমার মা ভালো হয়ে উঠবে। আমি এখন যাই। ভোরের আলো ফুটতে শুরু করেছে। বলেই কাকা চোখের পলকে অদৃশ্য হয়ে গেল।
ভবঘুরে হয়ে ঘোরায় মাকে মানসিক কেন্দ্রে রাখা হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসায় মায়ের কিছুটা উন্নতি হয়েছিল এবং ঘুম থেকে উঠে নিজের পরিবারের সাথে, রিয়াজকে সামনে দেখে মায়ের আবেগ বাঁধ মানল না। মা রিয়াজকে জড়িয়ে ধরে আমার বাবা বলে আনন্দে কাঁদতে লাগল।
বাবা আর মনাও হকচকিত হয়ে পড়েছে। হারিয়ে যাওয়া রিয়াজকে দেখে যেমন অবাক হয়েছে তার চেয়ে বেশি অবাক হয়েছে মাকে দেখে।
পরী, ডাইনি আর ছায়াদের গল্প বলে যাওয়া রিয়াজের মধ্যেও অনেক পরিবর্তন এসেছে। সে চায় পঙ্গু বাবা একটা দোকান করে সেখানে বসে বেচা বিক্রি করে। মনা আর সে স্কুলে যাবে। আর স্কুলের পর বাবার দোকানে বসে সেও হিসেবপত্র রাখবে। আর এসব সম্ভব হয়েছে কাকার কল্যাণে। কাকা যাওয়ার আগে মানুষের ব্যবহৃত কিছু টাকা রিয়াজকে দিয়ে গেছে যাতে সে মা বাবাকে নিয়ে নতুন জীবন শুরু করতে পারে। আর এসব সম্ভব হয়েছে তিতলী পরীর কল্যাণে।
রিয়াজ তিতলী পরীর জন্য আকাশের দিকে তাকিয়ে অপেক্ষা করে। সে জানে আকাশের ওপারেও আকাশ আছে। আছে অন্য আকাশ, অন্য জগত! (শেষ)
একশ’ পনেরতিতলীকে আমার কথা বলো। আর ওকে আবার আসতে বলো।কাকা রিয়াজকে জড়িয়ে ধরে আদর করে দিলো। তারপর বলল, মায়ের দিকে খেয়াল রেখো। মাকে ভালোবেসো। ভালোবাসলেই...
