(গত দিনের পর)
রূপকথার গল্পটিকে এখানে রেখে এবার আমরা চলে যাই অন্য আরেক রাজ্যে। আরেক রাজপুত্রের কাছে। কারণ, ওই রাজপুত্রের সাথে বর্তমানের এই কাহিনীর একটি যোগসূত্র রয়েছে।
চারুবনের পাশেই সাগর। সাগরের অপর পাড়ে ছিল সেই রাজ্য। সেই রাজ্যের রাজা-রানীরও ছিল এক পুত্র ও এক কন্যা। কিশোর রাজপুত্রের নাম প্রিন্স রিঙ ও কিশোরী রাজকন্যার নাম প্রিন্সেস প্যানুলা।
প্রিন্সেস সিগনির রূপ ও গুণের কথা প্রিন্স রিঙের কানেও পৌঁছে যায়। প্রিন্স রিঙ জানতে পারে অপরূপা এক কন্যা আছে সাগরের অপর পাড়ে। সেই রাজকন্যার নাম প্রিন্সেস সিগনি। এমনি যে তার রূপ, সেই রাজকন্যাকে বরফের গায়ে রাখলে বরফের সাথে মিশে যায়, পানির পাত্রে রাখলে পানির সাথে একাকার হয়ে যায়। আর যদি পদ্মফুলের পাপড়ির ওপর তাকে বসিয়ে রাখা হয়, তা হলে সেই পদ্মপাপড়ির রূপে টলোমলো করে সরোবরের কালো জলের তল।
এমন রূপের কন্যাকে কে ভালো না বেসে পারে? তাই, প্রিন্স রিঙ সিদ্ধান্ত নেয়, আর কাউকেই নয়, প্রিন্সেস সিগনিকেই বিয়ে করবে সে। সে তার পিতার কাছে গিয়ে বায়না ধরে, ‘বাবা আমাকে সাম্পান সাজিয়ে দাও। আমি সাগর পাড়ি দেবো। সাগর পাড়ের সেই রাজকন্যা প্রিন্সেস সিগনিকে নিয়ে আসব আমার দেশে।’
রূপকথার গল্পটিকে এখানে রেখে এবার আমরা চলে যাই অন্য আরেক রাজ্যে। আরেক রাজপুত্রের কাছে। কারণ, ওই রাজপুত্রের সাথে বর্তমানের এই কাহিনীর একটি যোগসূত্র রয়েছে।
(চলবে)
