গত দিনের পর
ছানাটিকে তারা ছুড়ে ফেলে দিচ্ছে নর্দমার পানিতে। কুকুর ছানাটি প্রাণপণ চেষ্টা করে সাঁতরিয়ে ডাঙায় উঠছে। ছেলেরা আবার তাকে ধরে হৈ হুল্লোড় করে ছুড়ে ফেলে দিচ্ছে নর্দমায়। ছেলেদের কেউ কেউ কুকুরের ছানাটিকে বাঁশের লাঠি দিয়ে খুঁচিয়ে নর্দমার আরো দুরে ঠেলে দিচ্ছে। এটাই তাদের আনন্দ।
সওদার পুত্র ছিল খুবই দিলদার, দয়ালু কিসিমের। এমন দৃশ্য তাকে বেশ বিচলিত করে তোলে। কুকুরছানার কষ্ট দেখে সে ছেলেদেরকে বলে, কী করছ তোমরা এসব? কুকুরটি মারা যাবে তো! অন্যকে কষ্ট দিয়ে কোনো বিনোদন হয় না বাছারা। এবার চুপ রহো তোমরা। কুকুরছানাকে নর্দমা থেকে উপরে উঠে আসতে দাও।
সওদাগর পুত্রের এমন কথায় ছেলেরা হো হো করে হেসে ওঠে। একসময় ক্ষেপে যায়। বলে, তুমি কে হে? এমন মায়া দেখাতে এসেছ? যাও, চলে যাও তুমি। আমাদের খেলা খেলতে দাও। আনন্দে বাধা দিচ্ছ কেন? (চলবে)