ছোট্ট বন্ধুরা,
ভাইপার মাছের দাঁত কেমন? সূচের মতো। এ দাঁত এরা শিকার ধরার কাজে ব্যবহার করে। এদের রয়েছে লম্বা পৃষ্ঠীয় পাখনা। এ পাখনা আলো উৎপন্ন করতে পারে। এ আলোয় এরা শিকারকে আকৃষ্ট করে। শিকার ধরার সময় এরা প্রথমে পানিতে স্থির হয়ে ভেসে থাকে। পরে পৃষ্ঠীয় পাখনা দিয়ে আলো উৎপন্ন করে। এ আলো ঝাড়বাতির মতো জ্বলে-নেভে। এ আলো দেখে শিকার কাছে এলে এরা এদের তীক্ষè দাঁত বিদ্ধ করে শিকারকে নিশ্চল করে দেয়। এরা এদের আলো উৎপন্নকারী অঙ্গ শিকার ধরা ছাড়াও যোগাযোগের কাজেও ব্যবহার করে। অন্ধকারে এদের এ ভয়ঙ্কর দর্শন মুখ অন্যান্য মাছ দেখতে পায় না। ফলে অন্ধকারে এদের মুখ হয়ে যায় অদৃশ্য ফাঁদ।
ভাইপার মাছের দেহের রঙ সবুজ, রুপালি ও কালো হয়। দেহের দৈর্ঘ্য ৩০-৬০ সেন্টিমিটার। দিনের বেলায় এদেরকে পাঁচ হাজার ফুট গভীরতায় পাওয়া যায়। তবে রাতে আবার এরা তুলনামূলক অগভীর এলাকায় চলে আসে। তখন এদেরকে দুই হাজার ফুট গভীরতায় পাওয়া যায়। স্বাভাবিক অবস্থায় ভাইপার মাছ ১৫-৩০ বছর পর্যন্ত বাঁচে। কিন্তু বন্দী অবস্থায় মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাঁচে। পৃথিবীর সব সাগরের উষ্ণ পানিতে এদের পাওয়া যায়।
এবার ছবি দেখো।া
ছোট্ট বন্ধুরা,ভাইপার মাছের দাঁত কেমন? সূচের মতো। এ দাঁত এরা শিকার ধরার কাজে ব্যবহার করে। এদের রয়েছে লম্বা পৃষ্ঠীয় পাখনা। এ পাখনা আলো উৎপন্ন করতে...
