(গত দিনের পর)
মাটিতে বসা থেকে উঠে দাঁড়ায় সওদাগরপুত্র। এরপর প্রায় পাগলের মতো ছুটতে থাকে সেই ঝর্ণার দিকে। যে ঝর্ণা জলে ডুব দিয়ে নাগপুত্রের সাথে সে চলে গিয়েছিল পাতালপুরীতে। ঝর্ণার সেই নির্দিষ্ট স্থানে গিয়ে একটি ছোট্ট পাথর খণ্ডের উপরে বসে সে। তারপর নিজের মাথার পাগড়ীটি খুলে ফেলে। পাগড়ীর এক কোণে গিট্টু দিয়ে রেখে দেয়া ছিল নাগপুত্রের গাঁ থেকে খসে নেয়া এক টুকরো সেলঙ (সাপের গায়ের আঁশ)। সেলঙের সেই টুকরোটুকু বের করে সে অন্য একটি পাথরের ওপর রাখে। তারপর আগুন ধরিয়ে দেয় সেই সেলঙের গায়।
সাপের সেলঙ যখন আগুনে পুড়তে শুরু করে, মুহূর্তের মধ্যে কম্পন শুরু হয়ে যায় পাতালপুরীতে সেই নাগপুত্রের গায়ে। সে টের পায় তার গায়ের সেলঙ পুড়ছে কোথাও। (চলবে)
