বার.
আব্বাছ খাঁ বেরিয়ে যেতেই কম্পাউন্টারকে ডেকে জানিয়ে দিলেন আজ রাতে আর কোনো রোগী দেখবেন না।
কলাবাগান পার্কের বেঞ্চে শারাফাত বসে আছেন। জগিংয়ের জন্য এসেছিলেন। কিন্তু হাঁটতে হাঁটতে এসে হাঁপিয়ে গেছেন। বসে জিরাচ্ছেন।
বাতাসের মতো ছুটে আব্বাছ খাঁ হাজির। বন্ধুকে ঘিরে কয়েকবার চরকির মতো পাক দিলেন। তারপর ভোঁ করে ব্রেক কষে বসে পড়লেন বন্ধুর পাশে।
শারাফাত দম নিয়ে নিয়ে বললেন, ‘আপনার স্পিড দেখি বেড়ে গেছে।’
আব্বাছ খাঁ বুকে থাবা দিয়ে বললেন, ‘হু হু। ডাক্তারের কথা মতো ওষুধ খাচ্ছি তো! ওষুধে কাজ দিয়েছে। দু’দিনেই দশ কেজি ওজন কমেছে।
শারাফাত আঁতকে উঠে বললেন, ‘সে কি। আর কয়দিনে তো আপনি নাই হয়ে যাবেন। জিরো হয়ে যাবেন।
আব্বাছ খাঁ হেসে বললেন, ‘আর আপনি? আপনি তো আরো মুটিয়েছেন। একেবারে জালার মতো লাগছে। ঘাড়ে গর্দানে এক হয়ে গেছে।
শারাফাত গম্ভীর স্বরে বললেন, ‘দুদিন আমার ওজন বেড়েছে বারো কেজি।’
‘ডোজ বেশি পড়েছে মনে হয়।’
শারাফাত আলী চিন্তিত স্বরে বললেন, ‘কিন্তু এমনটিতো হওয়ার কথা ছিল না।’
‘সেটা তো আমারও কথা। কী হতে কী হয়ে গেল।’
‘আমিও কিছু বুঝতি পারছি না।
‘আরো কয়েকটা দিন ওষুধ খেয়ে দেখি কী হয়। নাকি আরেকবার ডাক্তারের কাছে গিয়ে দেখবেন!’ (চলবে)