বিশ.

‘তোর ভূত ছাড়িয়ে দেই। তুই আবার জমির জালিয়াতি শুরু কর। ক’দিনেই আবার কোটিপতি হতে পারবি।’
আব্বাছ খাঁ দেখল কথাটা মন্দ না। ঘাড়ে ভূত থাকলে সে কিছুই করতে পারবে না।
‘ঠিক আছে হুজুর, আমি রাজি। আপনি ভূত ছাড়ায়ে দেন।’
‘আজকে তো হবে না। অমবস্যার রাতে করতে হবে। শিডিউল দেখে সিরিয়াল দিয়ে যা।’
আব্বাছ খাঁ সিরিয়াল দিয়ে ওঝার আস্তানা থেকে বেরিয়ে পড়লেন।
ওঝার আস্তানার বাইরে পাশে অন্ধকারে এক লোক দাঁড়িয়ে ছিল। আব্বাছ খাঁকে ফলো করছিল।
আব্বাছ খাঁ পথে নামতেই অজ্ঞাত লোকটা আব্বাছ খাঁর পিছু নিলো।

মক্কেল মোখলেস ধুরন্ধর লোক। আব্বাছ খাঁর জন্য জমি হাত ছাড়া হয়ে গেছে। সে হন্যে হয়ে উঠেছে। জমি তো গেছে কিন্তু আব্বাছ খাঁকে সে না দেখে ছাড়বে না। ওই জমি সে আবার যে করেই হোক হাত করবে। তার আগে আব্বাছ খাঁকে জন্মের শিক্ষা দেবে।
মক্কেল মোখলেস টাকা দিয়ে গুণ্ডা ভাড়া করল। আব্বাছ খাঁর ওপর নজর রাখবে। গুণ্ডা গুটলু তারপর থেকে ছায়ার মতো আব্বাছ খাঁর পিছনে লেগে আছে।
আজ ফাঁকা রাস্তা দেখে গুটলুর মনে বদ মতলব কাজ দিতে ইচ্ছে করল।
গুটলু পেটকোচড় থেকে ছুরিটা হাতে নিলো। ফাঁকা রাস্তা। কেউ দেখতে পাবে না। আশপাশে দূরে থাক, সাত মাইলের মধ্যে পুলিশ নেই। আর ব্যাটা এরকম হ্যাংলা পাতলা যে ঘাড়ের পিছনে একটা রদ্দা বসালেই কেল্লাফতে। (চলবে)