(গত দিনের পর)
জমি টুকরো পেয়ে নাগকন্যার আনন্দ আর ধরে না। ঘর বাঁধার সব কাজ যেন সে একাই করে ফেলছে। নওকরকে কোনো কাজে হাতই লাগাতে দিচ্ছে না। ঘরের দেয়াল গাঁথা, রান্নার চুলো বানানো, ঘরের আসবাবপত্র, খাট-পালঙ্ক, সবই এই নাগকন্যাই করে যাচ্ছে। নাগকন্যার হেন কাজের উৎসাহে বড় ভালো লাগে নওকরের। যাক তা হলে, সংসারি এক মেয়েকে নিয়ে সংসার পাতা গেল। এ মেয়ে সংসারের জন্য উপযুক্তই বটে। এমন তড়িৎকর্মা সুনিপুণা বধূ এ তল্লাটে আর নেই। নওকর ভাবছে, সত্যিই সে বড় ভাগ্যবান।
বেশিক্ষণ লাগেনি ঘর বানাতে, আসবাবপত্র জোগাড় করে নিতে। উৎসাহ নিয়ে মনের আনন্দে কাজ করলে অতি তাড়াতাড়িই কাজ শেষ হয়ে যায়। ঘর বাঁধা হলো। চুলা বানানো হলো। আসবাবপত্র, থালা-বাসন সাজানো হলো ঘরে। সব কাজ নাগকন্যা একাই করছে। নওকর বুঝে উঠতে পারছে না, এটা কী করে সম্ভব! এমন কোনো কাজ বাকি নেই, যা এই নাগকন্যা পারে না। (চলবে)