(গত দিনের পর)
মাছ ধরতে না, মাছের সাথে কথা বলতে দাঁড়িয়ে আছে সে। মনের মধ্যে কঠিন এক ফন্দি আটা। কাছাকাছি কোনো মাছ এলে সে কথাটি পাড়বে। যদি একবার বুঝিয়ে সুঝিয়ে রাজি করানো যায়। তা হলে সারস পাখিকে আর পায় কে?
দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়। কিন্তু মাছের দেখা মেলে না। হঠাৎ দু’টি চ্যালামাছ এলো কাছে। পায়ের কাছে এসে ঘুর ঘুর করছে। সারস পাখিটি ধরছে না। তার মনে আজ অন্য ফন্দি। তবে এই চ্যালা মাছের সাথে কথা বলে লাভ নেই তার। তাই চুপ করে আছে সে। বুঝতে দিচ্ছে না, এখানে সারস নামের মাছদের এক দানব দাঁড়িয়ে আছে। এমন সময় দেখে একটি সরপুঁটি মাছ। এ দিকেই আসছে। অগভীর পানিতে সামান্য কম্পনের সৃষ্টি হচ্ছে। সরপুঁটি মাছ তো? চাল চলনে রাজকীয় ভাব। মাছটি ধীরে ধীরে বকের ঠ্যাংয়ের কাছে চলে এলো।
ওহে সরপুঁটি, কেমন আছো গো? সারস পাখিটি প্রথমে কথা বলে। সরপুঁটি ওপরে তাকিয়ে দেখে। ও বাবা! এ যে এক আজদাহা সারস! ভয় পেয়ে চকিত হয় সরপুঁটি। সারস বলে, ভয় নেই। একটু কাছে আসো না ভাই। কথা বলি। কত দিন ধরে কথাটি বলব বলব করছি। কিন্তু তোমাদের কাউকেই তো কাছে কিনারে পাই না। (চলবে)