জানো, ইসলামী সোনালী যুগে মুসলমানেরা জ্ঞান-বিজ্ঞানে বিশ্বে শ্রেষ্ঠ ছিল। এ সময় আজকের জ্ঞানগর্বী ইউরোপ অশিক্ষা আর কুসংস্কারের ঘোর আঁধারে ছিল আবদ্ধ। ইসলামী সোনালী যুগেরই এক বৈজ্ঞানিক খলিফা হাকিম। তিনি ছিলেন মিসরের খলিফা (শাসনকর্তা)।
ফাতেমীয় বংশের এই খলিফা উন্নত মানমন্দির স্থাপন করেন। বিচক্ষণ বৈজ্ঞানিকের মতো তিনি সারা রাত মানমন্দিরে গবেষণা চালাতেন। ১০০৫ সালে তিনি দারুল হিকমা নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে জ্যোতির্বিজ্ঞান, ব্যাকরণ, কবিতা, সমালোচনা, আইন, চিকিৎসাশাস্ত্র, শব্দবিজ্ঞান প্রভৃতি উচ্চস্তরের শিক্ষার ব্যবস্থা ছিল।
তিনি তার রাজপ্রাসাদে একটি বিশাল পাঠাগার স্থাপন করেন। আগে রাজকীয় পাঠাগারে সাধারণ সুধীরা প্রবেশ করতে পারতেন না। তিনি এ পাঠাগারে সাধারণ সুধীদের পড়াশোনা ও জ্ঞানালোচনার দ্বার উন্মুক্ত করে দেন।
খলিফা হাকিমের শাসনকাল ৯৯৬-১০২১। তার জন্ম ৯৮৫ সালে এবং মৃত্যু ১০২১ সালে। তার মৃত্যু বড়ই মর্মান্তিক। সারা রাত মানমন্দিরে পর্যবেক্ষণ চালিয়ে সকালে তিনি সহচরকে বিদায় দেন এবং একাকী মরুভূমির দিকে যাত্রা করেন। রাজধানীতে আর ফিরে আসেননি। তার গাধা পাওয়া যায় আহত অবস্থায়। তার সাত রঙের জামায় ছুরিকাঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। কিন্তু মৃতদেহের সন্ধান মেলেনি। চার বছর পর এক ব্যক্তি স্বীকার করেন, তিনি খলিফার হত্যাকারী।
বিশ্বসভ্যতায় জ্ঞান-বিজ্ঞানের আলো বিস্তারের জন্য আজও তিনি স্মরণীয় ও বরণীয়।
জানো, ইসলামী সোনালী যুগে মুসলমানেরা জ্ঞান-বিজ্ঞানে বিশ্বে শ্রেষ্ঠ ছিল। এ সময় আজকের জ্ঞানগর্বী ইউরোপ অশিক্ষা আর কুসংস্কারের ঘোর আঁধারে ছিল আবদ্ধ। ইসলামী সোনালী যুগেরই এক...
