একচল্লিশ.
একটু থেমে বললেন, ‘ভয় নেই, ওই ছেলের ফাদারের সাথে আমার কথা হয়েছে। আমাদের রাজনৈতিক দলের লোক।’
‘স্যার, আরো একটা ঘটনা ঘটেছে?’
‘কউ?’
‘স্কুল থেকে স্কুল চলাকালীন একটা ছেলে মিসিং হয়ে গেছে?’
‘বলেন কি?’ নেতা আঁতকে উঠলেন। স্কুলের সিকিউরিটি সিস্টেমের সুনাম আছে। দারোয়ান আছে। স্কুল থেকে কেউ সহজে বের হতে পারে না। ‘ঠিক আছে, ফোনে সব কথার দরকার নেই। আপনি এখনি আমার বাসায় চলে আসেন। আমি বাসাতেই আছি।’ নেতা বললেন।
নেতার ব্যক্তিগত খাস কামরাতেই দেখা করলেন প্রিন্সিপাল। তিনি সারা দিনের পরিশ্রম শেষে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। কিন্তু নেতাদের কি আর বিশ্রাম বলে কিছু আছে?
‘আজকে অনেক দৌড়াদৌড়ির ওপর ছিলাম। আগামী মাসে বড় নেতা আসবেন, তার জোগাড়যন্ত্র করছিলাম। স্কুলের ইনসিডেন্সটা শুনলেও আর যেতে পারিনি।’
‘না স্যার, আমরাই সামলে নিয়েছি। আর ওই ছাত্রের এক্সিডেন্টটাও তেমন গুরুতর নয়।’
‘কিন্তু স্কুলের রেপুটেশনের ব্যাপারটা গুরুতর।’ নেতা মনে করিয়ে দিলেন। ‘আর ছাত্র মিসিংয়ের কথা কী যেন বলছিলেন?’
প্রিন্সিপ্যাল ইতস্তত করে বললেন, ‘আজ রাত আটটার দিকে দু’জন গার্জেন আমার সাথে দেখা করতে আসেন। (চলবে)
একচল্লিশ. একটু থেমে বললেন, ‘ভয় নেই, ওই ছেলের ফাদারের সাথে আমার কথা হয়েছে। আমাদের রাজনৈতিক দলের লোক।’‘স্যার, আরো একটা ঘটনা ঘটেছে?’‘কউ?’‘স্কুল থেকে স্কুল চলাকালীন একটা...
