(গত দিনের পর)
হাসতে হাসতে কেউ একজন বলে, তোমরা যা-ই বলো বাপু, লোকটির ডাম্পলিং কিন্তু সেই রকম! যেমন সুস্বাদু, তেমনই মজার। লোকটি কী দিয়ে এমন ডাম্পলিং বানায় গো? তার বাড়ি গিয়ে একবার দেখে আসলে হয় না?
আরেকজন বলে, কেন, কেন? ডাম্পলিং বানানো জানলে কী তুমি ডাম্পলিং বানিয়ে আমাদেরকে ফ্রি খাওয়াবে? তুমিও কি বলবে, ‘একটি নিলে দশ সেন্ট, দুইটি নিলে বিশ সেন্ট, তিনটি নিলে ফ্রি। যাও যাও। তাড়াতাড়ি যাও। গিয়ে ডাম্পলিং বানানো শিখে আসো। তারপর তুমিও ওই লোকটির মতো পাক্কা ব্যবসায়ী বনে যাবে। পকেট ফাঁকা হওয়ার এমন ব্যবসা ক’জন শিখতে পারে হে? হা হা হা।
আগেরজন বলে, আরে না, সবার হাত জস একরকম না। লোকটির হাতে জাদু আছে। তা না হলে এমন সুস্বাদু ডাম্পলিং কেউ বানাতে পারে? কী যে তার স্বাদ! জিবে এখনো লেগে আছে। লোকটি যদি প্রতিদিনই এভাবে ডাম্পলিং নিয়ে আসে! এসে বলে, একটি কিনলে দশ সেন্ট, দু’টি কিনলে বিশ সেন্ট, তিনটি কিনলে ফ্রি। হা হা হা, হো হো হো।
(চলবে)
