ঊননব্বই.
সজীব বলল, ‘আমরা স্যারের তলকুঠুরির কাছাকাছি চলে এসেছি। তমাকে বলে রাখি, স্যারকে দেখে ভয় পেয়ে যেন চিৎকার দিও না।’
তলকুঠুরিতে মৃদু নীলচে আলো জ্বলছে। তার মানে স্যার জেগে বসে আছেন। রাত বেশি হয়নি। কিন্তু এখানে যেন গভীর রাত।
এক্সম্যান স্যার এগিয়ে এলেন। আবেগী গলায় বললেন, ‘শেষ পর্যন্ত তোমরা আসতে পেরেছ। তোমাদের জন্য বসে অপেক্ষা করতে করতে ভাবছিলেন হয়তো বাড়ি থেকে বের হতে পারোনি। একি একটা নতুন মুখ দেখছি যে!
‘আমাদের বাড়ি থেকে বের হতে ততটা অসুবিধে হয়নি। কিন্তু পথে আমরা বাধা পেয়েছি।’
স্যার আঁতকে উঠলেন। ‘মানে? কিভাবে?’
‘কেউ আপনার এখানে থাকার কথা, কেমিক্যালের কথা আমাদের আসার কথা জেনে গেছে। আমাদের ফলো করছিল। বিশেষত কেমিক্যালের ব্যাগটা নেয়ার জন্য।’
‘তার মানে কেমিক্যালটা তোমরা আনতে পারোনি!’ স্যার প্রায় মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়লেন।
‘ব্যাগ আমাদের হাতছাড়া হয়েছে ঠিকই কিন্তু তা ক্রিকেটের ব্যাগ; কেমিক্যালের ব্যাগ নয়। এই যে আপনার কেমিক্যাল!’
কেমিক্যালগুলো পেয়ে স্যারের চোখ চকচক করে উঠল। তিনি যেন আকাশের চাঁদ হাতে পেলেন। বুকের সাথে আঁকড়ে ধরে বললেন, ‘এই কটা কেমিক্যালের জন্য এতগুলো দিন এই অন্ধকার গহ্বরে পশুর মতো জীবন কাটিয়েছি। শুধু জীবন কাটানো নয়, পশুই হয়ে গিয়েছিলাম। মিউটেশনের ভূতে আমার এই পশুত্ব। তবে আমি আবিষ্কার করেছি। (চলবে)
ঊননব্বই.সজীব বলল, ‘আমরা স্যারের তলকুঠুরির কাছাকাছি চলে এসেছি। তমাকে বলে রাখি, স্যারকে দেখে ভয় পেয়ে যেন চিৎকার দিও না।’তলকুঠুরিতে মৃদু নীলচে আলো জ্বলছে। তার মানে...
