নব্বই.
মিউটেশন করে জীবদেহের আঙ্গিক পরিবর্তন করা যায়! চলো চলো আমার ল্যাবে চলো। আমার আর দেরি সহ্য হচ্ছে না।’
সেই রাতে ক্লাসরুম ৩৬৫-এর ভেতরের সব আলো জ্বলে উঠল। বাইরে থেকে দরজাজানালা বন্ধ থাকায় কেউ সেই আলো দেখতে পেল না। ওরা টুলে বসল। এক্সম্যান স্যার ছাত্রদের কাজে লাগিয়ে দিলেন। কেউ বুনসেন বার্ণার ধরাল। কেউ ধুয়েমুছে জারগুলো বকযন্ত্র সব ঠিকঠাক করে দিলো। এক্সম্যান স্যার বললেন, ‘ভেতরের কার্বাডে আমার কিছু জামাকাপড় আছে। ওগুলো নিয়ে এসো। মানুষ হয়ে উঠলে এই লোমশ শরীর থাকবে না। তখন জামাকাপড়ের প্রয়োজন।’
‘স্যার, কার্বাডের তলার দিকে কাগজের মতো কি এগুলো? আপনার আবিষ্কৃত কোনো ফর্মুলা?’ সজীব কাগজগুলো বের করতে করতে বলল। পুরোনো হলদেটে হয়ে ওঠা কাগজ।
‘কই দেখি কী কাগজ? এদিকে নিয়ে এসো তো! দেখি কী কাগজ?’
সজীব কাগজগুলো হাত বাড়িয়ে স্যারের কাছে দিলো। স্যার দেখেশুনে বললেন, ‘এ তো স্কুলের দলিল। এখানে এলো কী করে?’
‘প্রিন্সিপাল স্যার আর বিজ্ঞান স্যার মিলে রেখেছে। এই রুম ধ্বংস করে ফেলার সাথে সাথে মূল দলিলটা ধ্বংস করবে বলে।’
‘হুঁ। বুঝতে পেরেছি। ওদের জারিজুরি কিভাবে খতম করতে হয় এবার দেখাচ্ছি! আগে মানুষের রূপে ফিরে আসি না!’
বিজ্ঞান স্যারের মাথার চুল ছেঁড়ার উপক্রম! গাধা টিকটিকিটার কী আনার কথা আর কী এনেছে! ক্রিকেটের ব্যাগ! আর ব্যাগ নিয়ে আসার দরকার কী?
(চলবে)
