একানব্বই.
ওদের উপর নজর রাখতে বলা ছিল, সেই কাজটাই ঠিকমতো করতে পারেনি! তিনি বুঝতে পারলেন ওরা কেমিক্যাল নিয়ে নিশ্চয় স্কুলের ওই ক্লাসরুমে গেছে। ওখানেই আছে এক্সম্যান স্যার। রাতে ভাড়াটে গুণ্ডাদের নিয়ে ওখানে আক্রমণ করতে হবে। ছেলেগুলো থাকলে পিটিয়ে সিধে করে দিতে হবে।
তিনি এলাকার ভাড়াটে গুণ্ডাদের খবর দিলেন।
রাত বাড়তে থাকে। ক্লাসরুম ৩৬৫তে একটা অতিপ্রাকৃত দৃশ্যের অবতারণা হতে থাকে। একজন জংলি মানুষ অথবা জন্তু দক্ষ বিজ্ঞানীর মতো ল্যাবরেটরি ঘরে গবেষণাকর্ম করে যেতে থাকেন। সজীব আর রাফি বিজ্ঞানীর সহকারীর ভূমিকায়। বিজ্ঞানীর কথামত যা কিছু যেখানে নেয়া দরকার এগিয়ে দেয়া দরকার দিচ্ছে। রাফি তমা আর রিমি দর্শকের ভূমিকায়। তারা অবাক চোখে বিজ্ঞানীর কর্মকাণ্ড দেখছে। কি ঘটতে চলেছে তারা ঠিক বুঝে উঠতে পারছে না।
এক্সম্যান বুনসেন বার্ণারে জার উত্তপ্ত করতে করতে বললেন, ‘তোরা সবাই রাতের খাবার খেয়ে এসেছিলি তো?’
সবাই একে অন্যের মুখের দিকে তাকাল। সজীব খেয়ে এসেছিল। খায়নি রাফি আর নিলয়। তমা আর রিমিও খেয়ে এসেছে। মেয়েরা সাধারণত এ ভুলটা করে না।
রাফি আর নিলয় জানাল, ‘তারা সন্ধ্যের নাস্তা করেছিল। কিন্তু রাতের খাবার খায়নি। তাতে সমস্যা নেই। তাদের খিদে পায়নি।
‘তোরা আসবি ভেবে তোদের জন্য আমি কিছু ফলমুল জোগাড় করে রেখেছি। আপাতত ওগুলো খেয়েই পেট ভরা। ’(চলবে)