বিরানব্বই.
রিমি জিজ্ঞেস করল, ‘আপনার গবেষণা শেষ হতে আর কতক্ষণ লাগবে স্যার?’
‘এই তো! আর কিছুক্ষণ। কিছুটা সময় তো লাগবে। মিউট্যান্টের মিক্সচারটা তৈরি করতে বেশ কিছুটা সময় লেগেছিল। তার অ্যান্টিডোট তো আরো কিছুটা সময় লাগবে।’
নিলয় খাঁটি বিজ্ঞানীর মতো প্রশ্ন করল, ‘স্যার অ্যান্টিডোট না তৈরি করে মিউট্যান্টের মিক্সচার পান করতে গেলেন কেন?’
‘এই প্রশ্নটা পান করার পরে আমার মাথায় এসেছিল।’ এক্সম্যান স্যার বললেন, ‘আসলে তখন আবিষ্কারের নেশায় এতটা উন্মত্ত ছিলাম যে পরিণতি ভাবিনি। ইঁদুর আর ব্যাঙের পরিবর্তন দেখেও মাথায় ঢোকেনি আমার পরিণতি কী হতে পারে। ভেবেছিলাম পরে অ্যান্টিডোট বানাব। ফর্মুলা তো আমার জানাই আছে।’
সজীব বকনল এগিয়ে দিতে দিতে বলল, ‘স্যার সেই মিউট্যান্টের মিক্সচার কি আর আপনার কাছে আছে?’
‘হুঁ। খুব গোপনে সাবধানে সরিয়ে রেখেছিলাম।’
রাফি কৌতূহলের সাথে বলল, ‘স্যার আমরা কি সেটা একটু দেখতে পারি।’
‘হুঁ। দেখতে পারবি। কিন্তু ভুলেও পান করার চিন্তা মনে আনবি না।’ এক্সম্যান নিচের দিকের একটা গোপন চেষ্ট ড্রয়ার থেকে ছোট্ট একটা কাচের শিশি বের করলেন। তার মধ্যে গাঢ় কমলা রঙের তরল পদার্থ।
সবাই একবার হাত নিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখল। বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই এই নিরীহ তরলের কী ক্ষমতা।
সজীব জিজ্ঞেস করল, ‘স্যার কতক্ষণের মধ্যে মিউট্যান্ট শুরু হয়?’(চলবে)