তিরানব্বই.
‘জীবজন্তুর ক্ষেত্রে প্রায় সাথে সাথেই। মানুষের ক্ষেত্রে একটু দেরি হয়।’ স্যার সরু চোখে বলেন, ‘এসব জিজ্ঞেস করছিস কেন? দে ওটা আমার হাতে দে।’ নিজের কেমিক্যালের দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘আমার অ্যান্টিডোট প্রায় তৈরি হয়ে গেছে।’ তার পর সজীবের দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘আমার জামাকাপড়গুলো দে। ওই ঢোলা পাঞ্জাবি আর বড় ট্রাউজারটা দেখি কোনো মতে আটাতে পারি কিনা? মানুষে ফিরে এলে এগুলো ঢলঢলে হয়ে যাবে।’
স্যার অনেক কষ্টে পাঞ্জাবিটা গায়ে ঢোকালেন। তাই যেন স্কিন টাইট হয়ে গেল। আর ট্রাইজারটা কিছুটা ফেটে ছিঁড়ে পরতে পারলেন।
‘মোটামুটি মানুষের মতো দেখাচ্ছে না?’ এক্সম্যান স্যার ওদের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন।
তমা ও রিমি দুদিকে মাথা নাড়িয়ে বললেন, ‘না স্যার। আগের মতোই লাগছে। শুধু মনে হচ্ছে চিড়িয়াখানার একটা বিশালদেহী গরিলাকে জোর করে পোশাক পরানো হয়েছে।’
স্যার গাঢ় স্বরে বললেন, ‘এখন লাগবে?’ তিনি চোখ বন্ধ করে কিছুক্ষণ কি যেন ভাবলেন। বোধ হয় অ্যান্টিডোট পানের আগে মানসিক শক্তি অর্জন করে নিলেন। স্যারের হাতের কাচের টিউবে সাদা রঙের তরল পদার্থ।
তিনজন শক্তিশালী হাট্টাকাট্টা গুণ্ডা নিয়ে বিজ্ঞান স্যার স্কুলে এলেন। নেতার রাতে ডিনার পার্টির দাওয়াত। তিনি আসতে পারবেন না। আর প্রিন্সিপাল সবকিছুর মুলে থাকলেও এক্সম্যান স্যারের সাথে সামনাসামনি দেখা করতে চাচ্ছেন না।
(চলবে)
