সাতানব্বই.
এক্সম্যান স্যার আত্মসর্মপণের ভঙ্গিতে দু’হাত উঁচিয়ে পিস্তলধারীর দিকে এগিয়ে এলেন। বিজ্ঞান স্যারের ইশারায় বাকি দুই ভাড়াটে গুন্ডা দু’পাশ থেকে এক্সম্যান স্যারের দু’হাত শক্ত করে ধরল। বিজ্ঞান স্যার এগিয়ে এসে আক্রোশে এক্সম্যান স্যারের তলপেটে সজোরে ঘুষি কষালেন। তার ঘুষির বহর দেখে মনে হয় তিনি স্কুলের বিজ্ঞান শিক্ষক নন ফিজিক্যাল ট্রেইনার।
বিজ্ঞান স্যার ছাত্রদের দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘এই, তোমরা লাইন ধরে এক এক করে এদিকে এগিয়ে আসো। লেডিস ফার্স্ট। মেয়েরা আগে আসো।’
এক্সম্যান স্যার বন্দী হওয়ার পরে তাদের দশা কী তা আগেই তারা বুঝে ছিল। রিমি আর তমা ভয়ে এতটুকুন হয়ে গেছে। তারা কাঁপা কাঁপা গলায় বলল, ‘আমাদের ছেড়ে দেন স্যার। আমরা কাউকে কিচ্ছু বলব না। আমরা কিচ্ছু জানি না স্যার। অ্যাডভেঞ্চার করতে এখানে এসেছিলাম।’
‘তোরা বললেও আমার কিছু হবে না। আমি তোমাদের বিজ্ঞান স্যার বিজ্ঞান স্যারই থাকব। আর তোদের এক্সম্যান স্যারের কোনো নাম নিশানা থাকবে না। আর এই রাত দুপুরে তোরা স্কুলে এসেছিলি কেউ বিশ্বাস করবে না। ঠিক কিনা?’
পাশ থেকে সাগরেদরা বলে উঠল, ‘ঠিক। তবে ওদের আরো যাতে মনে না থাকে তার জন্য একটা ধোলাই.য়ের ব্যবস্থা করা দরকার স্যার।’
‘হু। ধোলাই হবে। তবে মেয়েরা বাদে। ওদের একটু ছাড় দিতে পারি।’ বিজ্ঞান স্যার বললেন।
(চলবে)