তোমরা হয়তো কালো বিড়াল সম্পর্কে জানো। এটি সম্পর্কে প্রচলিত রয়েছে বিভিন্ন কাহিনী। তোমরা আজ এ বিষয়েই জানবে। অনেক কাল আগের কথা। মিসরীয়দের ‘পাশট’ নামে এক দেবীর মাথা ছিল বিড়ালের মতো। এ জন্য তারা বিড়ালকে পবিত্রজ্ঞানে পূজা করত, তারা বিশ্বাস করত, এই পাশট দেবীর জীবন বা আত্মা রয়েছে নয়টি। এ কারণে আজো অনেক মানুষ বিশ্বাস করে বিড়ালের রয়েছে নয়টি জীবন। জানা যায়, প্রাচীন মিসরীয়রা কালো বিড়াল মারা গেলে মমি করে সংরক্ষণ করত। ওই দেশে মমিকৃত হাজার হাজার কালো বিড়ালের একটি কবরস্থানের সন্ধান পাওয়া গেছে।
আশ্চর্য হলেও সত্যি, বিজ্ঞানের এই চরম উন্নতির যুগেও অনেকে মানুষ যাত্রাপথে কালো বিড়াল দেখাকে দুর্ভাগ্য মনে করে।
মধ্য যুগে ইউরোপের মানুষ ডাইনিতে বিশ্বাস করতে শুরু করে। তখন থেকেই তারা কালো বিড়ালকে ডাইনির ছদ্মবেশী রূপ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তারা মনে করত, কালো বিড়াল একবার মরলেও ডাইনি মরবে না। কারণ ডাইনিরা বিড়ালের রূপ ধরতে পারে নয় বার ।
মধ্যযুগে অনেকে বিশ্বাস করত, ডাইনি ও ডাকিনিবিদ্যা চর্চাকারীরা এই কালো বিড়ালের মগজ রান্না করে একধরনের তরল ওষুধ তৈরি করে। আর এসব ভুতুড়ে কা-কারখানার সাথে যুক্ত হওয়ায় বেচারা নির্দোষ কালো বিড়ালকে এখনো অনেকে মনে করে, অশুভ ও দুর্ভাগ্যের প্রতীক। তবে জ্ঞানীদের মতে, এসব ধারণা কুসংস্কার।