আটানব্বই.
নিজেদের পরিণতি কী হতে যাচ্ছে সজীব তা ভালোভাবেই বুঝতে পারছে। কারণ এর মধ্যে রাফি একটু এগিয়ে আসায় তাকে এক গুন্ডার হাতের থাপ্পড় খেতে হয়েছে।
সজীব সামনের দিকে এগিয়ে আসার ভান করে পায়ে পায়ে এগুতে লাগল। তার উদ্দেশ্য ভিন্ন।
এদিকে এক্সম্যান স্যারকে দুজন ধরে রেখে প্রায় দরজার বাইরে বের করে ফেলেছে। পিস্তল উঁচিয়ে সন্ত্রাসী মাসুদ বাকিদের এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। মাসুদের মনোযোগ একটু অন্যদিকে। সজীব দেখল এই সুযোগ। সে এক্সপেরিমেন্ট টেবিলের একটু গা ঘেঁষে সরে এলো। ওই টেবিলের এক মাথায় এক্সম্যান স্যারের আবিষ্কৃত মিউট্যান্ট মিক্সচারের সোনালি বোতলটা দেখা যাচ্ছে। সজীব চট করে বোতলটা হাতের মুঠোয় ঢুকিয়ে ফেলল।
নজর গেল বিজ্ঞান স্যারের। তিনি খেঁকিয়ে উঠলেন, ‘অ্যাই ছেলে, ওদিকে কী করছ?’
‘একটু পানি খাচ্ছি স্যার।’ বলেই সজীব কাচের শিশির মুখ খুলে ঢক ঢক করে এক চুমুকেই গোটা শিশি সাবাড় করে দিলো।
সজীব কোথাকার পানি খাচ্ছে দেখতে এক্সম্যান স্যার পিছন ফিরেছিলেন। তিনি সজীবের হাতে মিউট্যান্টের খালি শিশি দেখে হতভম্ব হয়ে গেলেন। শিশির সবটুকু খেয়ে ফেলেছে। ওর একটা লিমিটেড মাত্রা আছে। ওভারডোজ হয়ে গেলে কী হবে আল্লাই জানে?
অতিরিক্ত ডোজ পড়ার কারণে কিনা কে জানে মুহূর্তেই মিউট্যান্ট মিক্সচার কাজ শুরু করে দিয়েছে সজীবের মধ্যে। (চলবে)