তিরানব্বই.
তিনি অন্য সবার দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘তোমরাও ধৈর্য ধরে বসো। সজীবকে আবার তোমাদের অবস্থায় ফিরিয়ে আনি।’ তারপর বিড়বিড় করে বললেন, ‘কাজ হবে কিনা আল্লাই জানে। ওভারডোজের কারণে ওই অবস্থা হয়েছে। ওভার এন্টিডোটের ডোজই শেষ ভরসা!’
শেষ কথা
পরদিন খুব ভোরেই প্রিন্সিপাল আর পাতি নেতা পুলিশ প্রোটেকশনে শ্রমিক নিয়ে এসে পুরাতন ভবন ভাঙার কাজ শুরু করলেন। কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, বিজ্ঞান স্যারই ভবন ভাঙার কাজে বাধা দিলেন।
এদিকে প্রগতিশীল নাগরিক সমাজ স্কুলভবন ভাঙার খবরে চলে এসেছে। স্কুলের মাঠে জড়ো হয়েছে তারা। ক্লাস বন্ধ। বিজ্ঞান স্যার সবার সামনে নিজের অপরাধের কথা স্বীকার করলেন। কিন্তু তাতে খুব একটা কাজ হলো না। বিজ্ঞান স্যারের মাথা খারাপ হয়ে গেছে জানিয়ে প্রিন্সিপাল স্যার আর নেতা তাকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করলেন। লোকজন বিজ্ঞান স্যারের কথা বিশ্বাস করল না। কারণ এক্সম্যান স্যারের কোনো খোঁজ নেই। সেই পুরোনো দলিলও বিজ্ঞান স্যার বের করতে পারেনি।
সজীব বুঝতে পারল, এখন আর লুকিয়ে থেকে কোনো লাভ নেই। সে এক্সম্যান স্যারকে বলল, ‘স্যার, আপনাকে না দেখলে, আসল দলিল না দেখলে ওরা বিশ্বাস করবে না।’ (চলবে)