চার.
ছেলেটা দিন দিন ঘরকুনো হয়ে যাচ্ছে। এখন হিম হিম বিকালে বাইরে বের হলেই দেখা যায়, বাচ্চা কাচ্চা ছেলে বুড়ো সবাই ব্যাডমিন্টন খেলে, সাইকেল চালায়। আর অনিক ঘরের মধ্যে বসে হয় আইম্যাক ল্যাপটপ, না হলে আইপ্যাড ট্যাব, তা না হলে স্মার্ট ফোন নিয়ে বসে থাকে। চোখে ভারী পাওয়ারের চশমা উঠেছে আরো আগেই। এখন না চোখ দুটো অন্ধ হয়ে যায়!
মিসেস জেরিন অনিকের রুমে সামনে এসে ডাক দিলেন। অনিক ভিতর থেকেই সাড়া দিলো, ‘কি আম্মু?’
‘বাইরের পোশাক পরে নে। আমার সাথে যাবি?’
অনিক হাত থেকে ট্যাব রেখে পোশাক বদলাল। মা কোথায় নিয়ে যাবে তা জিজ্ঞেসও করল না। মিসেস জেরিন নিজ থেকেই বললেন, ‘আমার সাথে ডাক্তারের ওখানে চল। আমাকে কেমন ব্যায়াম করায় দেখবি। তোর চোখের জন্যও ব্যায়াম শিখে নিবি। তারপর আমরা কোন একটা রুফটফ ক্যাফেতে খেয়ে নেব।’
অনিক রুম থেকে বের হতে হতে বলল, ‘বাবা থাকলে ভাল হতো, তাই না আম্মু? রুফটপ ক্যাফেতে একসাথে খেতে পারতাম।’ একটু ইতস্তত করে অনিক বলল, ‘বাবা এলে তারপর গেলে ভালো হতো না আম্মু?’
‘আচ্ছা, আগে চল, বাইরে তো যাই। এখন একবার যাই, বাবা এলে আবার যাওয়া যাবে।’ মিসেস জেরিন ইতস্তত করলেন। ছেলেকে বলতেও পারছেন না ওর বাবা আসবে না, আবার ছেলের কথামতো চলাও যাচ্ছে না।
(চলবে)
চার.ছেলেটা দিন দিন ঘরকুনো হয়ে যাচ্ছে। এখন হিম হিম বিকালে বাইরে বের হলেই দেখা যায়, বাচ্চা কাচ্চা ছেলে বুড়ো সবাই ব্যাডমিন্টন খেলে, সাইকেল চালায়। আর...
