এগার.
তার তখনই সে যেন চোখের সামনেই সেই ধোঁয়াশার মধ্যেই পানির ট্যাংকির লোহার সিঁড়ির একেবারে উপরের সিঁড়ি থেকে নিচে গলায় দড়ি দিয়ে একটা মানুষের অবয়বকে ঝুলতে দেখল। আর তখনি দমকা হাওয়ার মতো একটা ঠাণ্ডা শীতল হাওয়া ছুঁয়ে গেল তার চার পাশ। সেই হাওয়ার মধ্যেই অনিকের মনে হলো গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলতে থাকা মানুষের অবয়বটাও শুকাতে দেওয়া কাপড়ের মতো দুলছে!
অনিক পড়িমড়ি করে সিঁড়ির ওপর থেকে নামতে গিয়ে ঠোঁটের ফাঁক থেকে দামী স্মার্ট ফোনটা সশব্দে নিচে পড়ে গেল। অনিক হুড়মুড় করে কোনো মতো হাচড়ে পাচড়ে এমনভাবে নিচে এসে নামল যেন গলায় দড়ি দেওয়া অবয়ব দড়ি ছেড়ে ওকে ধরতে আসছে। পায়ের কাছে পড়ে থাকা মোবাইলটা কাঁপা কাঁপা হাতে তুলে এক দৌড়ে ছাদের দরজা পার হয়ে সিঁড়িতে এসে তরতর করে সিঁড়ি দিয়ে নামতে লাগল। তাড়াহুড়োয় ছাদের দরজা বন্ধ করতে ভুলে গেল।
তিন
হাঁপাতে হাঁপাতে তিনতলায় নেমে এলো অনিক। দরজার সামনে দাঁড়িয়ে একটু ধাতস্থ হলো। কলিংবেল দিতেই ওপাশ থেকে মায়ের চেঁচানো গলা শোনা গেল, ‘দরজা খোলাই আছে।’ অনিক ভেতরে ঢুকতেই মায়ের রুম থেকে মায়ের গলা, ‘একটু কথা বলেই চলে আসবি এত দেরি হলো কেন?’
অনিক ভেবেছিল ভয়ে গলা দিয়ে কোন আওয়াজ বের হবে না। কিন্তু কথা বলতেই বুঝতে পারল গলা একটু কেঁপে গেলেও মা বুঝবে না। ‘দাদা দাদির সাথে গল্প করছিলাম আম্মু।’ (চলবে)
এগার.তার তখনই সে যেন চোখের সামনেই সেই ধোঁয়াশার মধ্যেই পানির ট্যাংকির লোহার সিঁড়ির একেবারে উপরের সিঁড়ি থেকে নিচে গলায় দড়ি দিয়ে একটা মানুষের অবয়বকে ঝুলতে...
