(গত দিনের পর)
গাড়ির চার পাশটা কালো মখমলের কাপড় দিয়ে ঢাকা।
ভিতরে কী করছে রাজকন্যা? কাঁদছে? নাকি বিমর্ষ বদনে বসে আছে? কিছুই বুঝার উপায় নেই। মেষপালক কোচের আরো কাছে চলে আসে। মখমলের কাপড়ে কান রাখে। হ্যাঁ, মিহি স্বরে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছে মেয়েটি। ড্রাগনের ডিনার হওয়ার আগে মনের মতো করে কেঁদে নিক মেয়েটি। হায়রে জীবন, হায়রে পরিণতি। মেষপালক রাজকন্যার এমন পরিণতি শুনে কথা হারিয়ে ফেলেছে। মনে মনে ভাবছে, এটা অন্যায়, অবিচার। ড্রাগনের এমন সাহস হয় কিভাবে? এ রাজ্যে কেউ কি নেই ড্রাগনের মুখোমুখী হওয়ার? মেষপালক নিজে নিজে প্রতিজ্ঞা করে, আমি ড্রাগনের সাথে লড়ব। মল্লযুদ্ধ করব। এতে তার নিজের এই তুচ্ছ জীবনটা যদি চলে যায়, যাক। মহৎ কাজে জীবন উৎসর্গ করার সুযোগ তো বারবার আসে না। কোচম্যানের পিছু পিছু আমি যাবো জলাভূমিতে। দেখিয়ে দেবো ড্রাগনকে এক হাত। মেষপালক তার মনের এই গোপন কথাটা গোপনই রাখে। (চলবে)