(গত দিনের পর)
প্রথমে ড্রাগনের মাথা ও গলা দেখা যাচ্ছে। আগুনঝরা চোখ, কোচের মতো নাক, কাৎরার মতো চূখা কান, আর চাবুকের মতো লিকলিকে জিহবা। দেখে অন্তর-আত্মা শুকিয়ে যায় সবার। কী অদ্ভুত জীব। দেখতে সাপের মতোন, আঁশটে ভরা গা। গায়ে বাদুরের পাখার মতো দু’টি পাখা। কাচের মতো স্বচ্ছ সেই পাখা। সাপের বিষদাঁতের মতো হলদেটে দাঁত। ছুরির ফলার মতো ধারালো। লিকলিকে লম্বা জিহবা। ভয়ে মেষপালক ও কোচম্যানের চেহারা হিম হয়ে গেল। মেষপালক এসেছিল ড্রাগনের সাথে মল্লযুদ্ধ করতে। ভয়ে বেমালুম সে কথা ভুলে গেছে সে। ড্রাগনকে দেখে ভয়ে যেন নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যাচ্ছে তার। ঠিক তখনই মেষপালকের তিন কুকুর ঘেউ ঘেউ শুরু করে দেয়। দূরে জলাভূমিতে ড্রাগনকে দেখতে পেয়েছে ওরা।
লবণ নামের সাদা কুকুরটি প্রথমে ঘেউ ঘেউ করে ওঠে। সেই সাথে সরিষা নামের বড় কুকুরটি বাঘের মতো হুংকার ছোড়ে। আর মাঝারি আকারের গোলমরিচ মুখে ঘড় ঘড় শব্দ করে ঝাঁপ দেয় জলাশয়ে। (চলবে)