(গত দিনের পর)
এই কাদা-পানিই যেন বড় সহায় হয়ে গেল কুকুরদের জন্য। অন্য দিকে কাল হয়ে দাঁড়ালো ড্রাগনের জন্য। মুখের আগুনের গোলা তার কাজে আসছে না এ লড়াইয়ে।
অবাক বিস্ময়ে দূর থেকে কোচম্যান আর মেষপালক দেখছে। তারা দেখছে, এই বুঝি ড্রাগন জিতে যায়। কিন্তু পরক্ষণেই দেখে গোলমরিচ গ্যাট করে কামড় বসিয়ে দেয় ড্রাগনের চোখে। সরিষা আরো ক্ষীপ্র বেগে লাফ দিয়ে পড়ে ড্রাগনের ঘাড়ের ওপর। আর লবণ সুযোগ বুঝে ড্রাগনের বিশাল লেজ কামড়ে ধরে। ইয়া বড় ড্রাগন যেন তিন কুকুরের যৌথ আক্রমণে তালগোল হারিয়ে ফেলে। আকারে বিশাল হলেও ক্ষীপ্রতায় কুকুর তিনটির সাথে যেন কুলিয়ে উঠতে পারছে না ড্রাগন। কয়টাকে সামলাবে সে? গোলমরিচ ড্রাগনের চোখে এমন কামড় বসিয়ে দেয় যে, ড্রাগনের একটি চোখ গোলমরিচের মুখে চলে আসে। এতে এক পাশ অন্ধ হয়ে যায় ড্রাগন। চোখ হারিয়ে ড্রাগন আরো ভয়ঙ্কর হয়ে উঠে। সে তার লেজের ঝাপটা মেরে লবণকে ছিটকে ফেলে দেয় আরো দূরে। (চলবে)
