(গত দিনের পর)
রাজা এবার যেন সম্বিত ফিরে পান। তার মেয়ে জীবিত। ড্রাগনের কবলে পড়তে হয়নি তাকে। ফিরে এসেছে মেয়ে প্রাসাদে। তাই তিনি আনন্দের আতিশয্যে বলেই ফেললেন, হ্যাঁ, নিশ্চয়ই তুমি পুরস্কার পাবে। আমার কন্যার হাত তোমাকেই সমর্পণ করব। যে কন্যার জীবন তুমি বাঁচিয়েছ, সেই কন্যাকেই তোমার হাতে সঁপে দেবো। রাজপ্রাসাদের ফটকে ঘণ্টা বাজিয়ে দাও। রাজকন্যার বিয়ে হবে কাল।
এ কথা শুনে কোচম্যানের আনন্দ আর ধরে না। সে তৎক্ষণাত ছুটে যায় প্রাসাদ ফটকে। প্রহরীকে বলে ঘণ্টা বাজিয়ে দাও। কাল রাজকন্যার বিয়ে। তারপর কোচ থেকে নামানোর জন্য রাজকুমারীর দিকে হাত বাড়িয়ে দেয় সে। কিন্তু রাজকন্যা কোচম্যানের হাত ধরে নয়, তিনি একা একাই নেমে এলেন কোচ থেকে। তার মনে আগের চেয়ে আরো বেশি বিষণ্নতা নেমে এসেছে। প্রাসাদ ফটকের ঘণ্টাধ্বনি শুনে তিনি কিছুটা আঁচ করতে পারছেন, কী ঘটতে চলেছে। (চলবে)
