ঊনত্রিশ.

শুধু মায়ের কথামতোই নয়, অনিকের নিজেরও একটু সন্দেহ হচ্ছিল, সত্যিই যদি নিজে নিজে সেটআপ করতে গিয়ে কোনো ঝামেলায় পড়ে মেশিনটা নষ্ট হয়? তখনই বুদ্ধিটা মাথায় এলো। ইউটিউবে তো দুনিয়ার এমন কিছু নেই যে সম্বন্ধে জানা যায় না বা শেখা যায় না। এটারও খোঁজ নিলে হয়!
ইউটিউবে সার্চ দিতে যা হলো সেসবে এটার সাথে কোনো মিলই নেই। ওরা সব সাইন্সফিকশন মুভির হলোগ্রাফিক ইমেজ ভিডিও এসব দেখাতে লাগল কিন্তু এই জাতীয় মেশিনের কোনো খবরই ওরা জানে না। তাহলে এই বিশেষ মেশিনটা বাবা কিভাবে পেল? অবশ্য বাবা সিলিকন ভ্যালিতে ইনফরমেশন টেকনোলজির বড়ো পোস্টে কাজ করেন, বাবাদের কোম্পানির আবিষ্কৃত জিনিসের প্রথমদিককার প্যাটেন্টই বাবা পাঠিয়েছেন কিনা কে জানে! এ জন্যই বলছিল অনেক বড়ো সারপ্রাইজ। কিন্তু জিনিসটার যদি কার্যকারিতাই না জানা যায় তাহলে সারপ্রাইজটা হবে কিভাবে?
মিসেস জেরিন একগাদা শপিং ব্যাগ হাতে নিয়ে কনুই দিয়ে দরজা ধাক্কিয়ে দরজা খুলতে খুলতে বললেন, ‘অনিক, এদিকে এসে হাত থেকে ক’টা ব্যাগ নে তো।’
অনিক মেঝেতে বসা থেকে উঠে দরজার কাছে গেল। আম্মুর হাত থেকে ব্যাগ নিতে নিতে বলল, ‘বাবা কল করেছিল?’
‘না। এখন ওখানে রাত। ঘুমোচ্ছে। আমি টেক্সট ম্যাসেজ করে দিয়েছি। পেয়ে যাবে। (চলবে)