(গত দিনের পর)
একেবারে রাজার সামনে গিয়ে হাজির হয় সে। তারপর বলে, প্রতারক কোচম্যানকে আপনি কিভাবে পুরস্কৃত করছেন হে মহারাজ? সে যে আমার তিন কুকুরের বীরত্বের কৃতিত্বটা একাই নিয়ে নিচ্ছে। গোলমরিচের কৃতিত্বটা আপনি কোচম্যানকে দিয়ে দিচ্ছেন।
রাজা : গোলমরিচ? কী বলতে চাও তুমি, হে যুবক?
মেষপালক : সেই দুর্গন্ধময় বীভৎস ড্রাগনকে তো আপনার কোচম্যান মারেনি। মেরেছে আমার তিনটি কুকুর, যাদেরকে আমি লবণ, গোলমরিচ ও সরিষা নামে ডাকি। ড্রাগন মারার কৃতিত্বের পুরস্কার যদি রাজকন্যাকে সঁপে দিতে চান, তা হলে সেই তিন কুকুর তো এখনো জীবিত আছে, হে মহারাজ?
এ কথা শুনে রাজা ভীষণ ক্ষেপে যান। কী বলছ তুমি হে যুবক? তোমার সাহস তো কম নয়। আমার কন্যাকে কুকুরের সাথে বিয়ে দেবো?
মেষপালক বলে, আমি বলছি, একজনের কৃতিত্বের পুরস্কার আপনি অন্যজনকে দিচ্ছেন।
(চলবে)