বত্রিশ.
মানহা গুলগপ্পো বলে হেসে উড়িয়ে দিলো। বলল, ওসব শুধু সাইন্স ফিকশন মুভিতেই হয়। বাস্তবে এখনো হয়নি। অনিক আর মানহার সাথে তর্কে গেল না। ভার্চুয়াল জগতের তার যতজন ফ্রেন্ড আছে তার মধ্যে মানহার সাথেই তার সখ্য বেশি। মানহাও তার মতো একটা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে একই ক্লাসে পড়ে। একই কারিকুলাম ফলো করে। যে কারণে তার কোনো সমস্যা হলেই মানহাকে ছবি তুলে পাঠাতে বলে। সেও পাঠায়। সেখান থেকেই বন্ধুত্বটা আরো গাঢ় হয়েছে। মানহা যে অনিকের কথা বিশ^াস করেনি তার প্রমাণ সে একটু পরেই দিলো।
‘ঠিক আছে, আমি আমার একটা ফুল প্রোফাইল পিকচার এখানে সেন্ড করছি। আমার একটা হলোগ্রাফিক ইমেজ বানিয়ে তুমি ওটা তোমার মোবাইলে ভিডিও করে আমাকে সেন্ড করবে। তারপর আমি বিশ^াস করব, বুঝেছ, গুলবাজ!’
অনিকের সাথে কেউ একরম করে কথা বলে না। মানহাই বলে। এজন্য মানহাকে অনিকের ভালো লাগে। কিন্তু অনিক জানে ভার্চুয়াল জগতের ভালো লাগা ভার্চুয়াল জগতেই শেষ হয়ে যায়। তবুও মানহার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে সে মানহার পাঠানো ছবিটা ডাউনলোড করে নিলো। ছবিটা পাঠিয়েই মানহা অফলাইনে চলে গেছে। অনিকও অফলাইন করে দিলো। খাটের উপরে ওইজাবোর্ডটা দেখে তার গতরাতের সেই ছাদের অ্যাডভেঞ্চারের কথা মনে পড়ে গেল। (চলবে)
