(গত দিনের পর)
এরপর পরীরানীর নির্দেশে তার ছয় সহচরী প্রজ্বলিত পারফিউম বাতির চারদিকে হাত ধরে চক্রাকারে ঘুরতে থাকে। ঘুরে ঘুরে শ্লোক বলে:
‘এক, দুই, তিন, মোরা চক্রাকারে ঘুরি;
মনের দোলায় পাখা মেলে হাওয়ার হাওয়ায় উড়ি।
নীল সাগরের জলের কোলে দোলে ওঠে মন,
জাগিয়ে দেই জীয়নকাঠি অসুস্থ যে জন।’
প্রজ্বলিত পারফিউমের চার পাশে অনেকক্ষণ ধরে নাচলো আর গাইল পরীরা। তারপর পরীরানী তার হাতের যাদুর জীয়নকাঠিটি ওঠায়। কাঠিটি সে একবার পারফিউমের কৌটায়, আরেকবার অসুস্থ লোকটির কপাল স্পর্শ করায়। তারপর বিড় বিড় করে উচ্চারণ করে :
‘ভস্ম হয়ে যাওরে যত যাদু-টোনার ঝাঁঝ, লাগিয়ে দিলাম মন্ত্র চেলে জীয়নকাঠির আঁচ।’
পরীরানীর জীয়নকাঠির ছোঁয়ায় যেন জীবন ফিরে পায় লোকটি। (চলবে)
