সাতচল্লিশ.
‘তোদের ওখানে এখন রাত না?’
‘সবে সন্ধ্যে হলো।’
‘ভরা সন্ধ্যেয় ছাদেটাদে না যাওয়াই ভালো। তোর বড় চাচা বলছিল, তোর চাচী কিসব ভূতটুত নাকি দেখে? ওদের কাজের মেয়েটা তো ছাদেই গলায় দড়ি দিয়ে মরেছিল।’
‘তুমি না বিজ্ঞানী আব্বু, তুমি ভূত বিশ^াস করো?’
‘না করিনি। কিন্তু মানুষের মনের ভয়কে বিশ^াস করি!’

বাবার সাথে কথা শেষ করেই অনিক আম্মুর মোবাইলে আসা পিডিএফ ফাইলটা ওপেন করল। আম্মু যখন তখন মোবাইল নিয়ে নেয়। কাজেই পিডিএফ ফাইলটা নিজের মোবাইলে নিয়ে নেয়া ভালো। পরে কম্পিউটারেও নেয়া যাবে।
দরজা ঠেলে আম্মু ঢুকলেন। অনিক আম্মুর মোবাইলটা আম্মুর দিকে বাড়িয়ে দিতেই আম্মু জিজ্ঞেস করলেন, ‘কি, কথা হয়েছে বাবার সাথে? কাজ হয়েছে?’
অনিক পিডিএফ ফাইলটা ওপেন করে পড়তে পড়তে মাথা উপর-নিচ করল। তারপর বলল, ‘দেখি কী হয়! না হলে আবার জানাতে বলেছে।’
মিসেস জেরিন জিনিসটা কী তা নিয়ে আর কোনো কৌতূহল দেখালেন না। নওশাদ এসব হাবিজাবি জিনিস অনেক পাঠায়। তা নিয়ে তার মাথাব্যথা নেই। বাবা ছেলের মধ্যে কথা হয়েছে, বরফ গলেছে, বাবা না আসায়ও ছেলে খুশি আছে তাতেই তিনি সন্তুষ্ট।
(চলবে)