পঞ্চাশ.
আর যখন চালু হয় আমাকে ডাক দিবি। আমি টিভি রুমে আছি।’
অনিক নুডুলস খেতে খেতে ম্যানুয়ালটা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখতে লাগল। কারণ ভালোভাবে সেট করতে না পারলে অথবা কোনো কারণে কোনো সমস্যা হয়ে গেলে জিনিসটা আঁস্তাকুড়ে ফেলা ছাড়া কোন গতি থাকবে না। কারণ বাবা বলেই দিয়েছে এই জিনিস বাংলাদেশ কেন অন্য দেশেও ঠিক করা সম্ভব নয়।
নুডুলস শেষ করে অনিক আবার লেগে গেল। মোবাইলে নেট কানেকশন দিতেই ম্যাসেজে মানহার নোটিফিকেশন, ‘কি ব্যাপার? সারা দিন খোঁজ নেই? নিজেই কি হলোগ্রাফিক মানুষ হয়ে গেলে নাকি?’
অনিক কি লিখবে ভেবে পেল না। শেষে লিখল, ‘না, সারাদিন ওটা নিয়েই ব্যস্ত ছিলাম। নেটে ঢোকার সময় পাইনি।’
‘আমার ছবি দিয়ে হলোগ্রাফিক মানুষ কি বানাতে পেরেছ?’
অনিক বুঝল মানহা ফাজলামি করছে। কিন্তু অনলাইনের বন্ধুর ফাজলামি সহজভাবে নেওয়া যায়, বাস্তবে যায় না। অনিক ঠাট্টা করে বলল, হলোগ্রাফিক মেশিন তোমার ছবি দিলেই এরর দেখাচ্ছে। মনে হয় ওই ছবিটা পছন্দ হয় নাই। লিখছে আরো ভালো ছবি পাঠাও। পাঠাবে নাকি আরেকটা?’
মানহাও ত্বরিত জবাব দিলো।
(চলবে)
